দলের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানায়, যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিষয় নিয়েও বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে একধরনের দূরত্ব বজায় আছে। সাম্প্রতিক সভা-সমাবেশগুলোতে বিএনপির নেতারা এ বিষয়ে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে জামায়াতের ভেতরে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া আছে। দ....
দলের দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানায়, যুদ্ধাপরাধের বিচারের বিষয় নিয়েও বিএনপি ও জামায়াতের মধ্যে একধরনের দূরত্ব বজায় আছে। সাম্প্রতিক সভা-সমাবেশগুলোতে বিএনপির নেতারা এ বিষয়ে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে জামায়াতের ভেতরে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া আছে। দল দুটির মধ্যে সমন্বয় না হওয়ার পেছনে এটিও বড় কারণ বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। এ অবস্থায় সাংগঠনিক তৎপরতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে পরিস্থিতির আলোকে বিকল্প নির্ধারণের কথা ভাবছে জামায়াত।
প্রতি মাসে নতুন ৬৫ থেকে ৭০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ সংযোগের আওতায় আসছে। ফলে বাড়ছে চাহিদা। কিন্তু বাড়ছে না উৎপাদন। বিতরণ কোম্পানিগুলোর হিসাবমতে, গত চার মাসে প্রায় পৌনে তিন লাখ গ্রাহককে নতুন সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এতে চাহিদা বেড়েছে প্রায় ৩১০ মেগাওয়াট।....
প্রতি মাসে নতুন ৬৫ থেকে ৭০ হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ সংযোগের আওতায় আসছে। ফলে বাড়ছে চাহিদা। কিন্তু বাড়ছে না উৎপাদন। বিতরণ কোম্পানিগুলোর হিসাবমতে, গত চার মাসে প্রায় পৌনে তিন লাখ গ্রাহককে নতুন সংযোগ দেওয়া হয়েছে। এতে চাহিদা বেড়েছে প্রায় ৩১০ মেগাওয়াট। একই সঙ্গে তীব্র গরমে ফ্যান ও এসির ব্যবহার বাড়ায় চাহিদা প্রকট হয়েছে। কিন্তু উৎপাদন একই জায়গায়। ফলে অসহনীয় লোডশেডিংয়ের কবলে পড়েছে দেশ।বিদ্যুৎ বিভাগের তথ্যা অনুযায়ী, জানুয়ারির ১ তারিখে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় পাঁচ হাজার ৩৬ মেগাওয়াট। সাড়ে চার মাস পর এসে ১৬ মে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ উৎপাদিত হয় পাঁচ হাজার ১০৮ মেগাওয়াট। এ ছাড়া দিনের অধিকাংশ সময় উৎপাদন চার হাজার মেগাওয়াটের আশপাশে ঘুরপাক খাচ্ছে। অথচ বিদ্যুৎ বিভাগের হিসাবে, বর্তমান উৎপাদনক্ষমতা আট হাজার ১৪৯ মেগাওয়াট।সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন সংযোগ উন্মুক্ত থাকলেও বিদ্যুৎ উৎপাদন স্থির থাকায় লোডশেডিংয়ের মাত্রা দিন দিন বাড়ছে। জানা গেছে, শুধু পল্লীবিদ্যুৎ এলাকায় মাসে সংযোগ বাড়ছে প্রায় অর্ধলক্ষ।
কৌশলগুলো হলো- বিএনপি আমলের নেতিবাচক ও সহিংস ঘটনাকে নানা উপায়ে জনগণের সামনে তুলে ধরা, বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের নামে মামলা দিয়ে দমিয়ে রাখা, পেশাজীবীসহ সুশীল সমাজকে সরকারের পক্ষে মাঠে নামানো এবং বর্তমান সরকার ও আওয়ামী লীগের অর্জনকে দেশবাসীর সামনে তুলে ধ....
কৌশলগুলো হলো- বিএনপি আমলের নেতিবাচক ও সহিংস ঘটনাকে নানা উপায়ে জনগণের সামনে তুলে ধরা, বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের নামে মামলা দিয়ে দমিয়ে রাখা, পেশাজীবীসহ সুশীল সমাজকে সরকারের পক্ষে মাঠে নামানো এবং বর্তমান সরকার ও আওয়ামী লীগের অর্জনকে দেশবাসীর সামনে তুলে ধরা। এ প্রক্রিয়ায় ১৪ দল ও মহাজোট নেতাকর্মীদের অংশগ্রহণও নিশ্চিত করতে চায় আওয়ামী লীগের শীর্ষ মহল।
সরকারের নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, ১১ জুনের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে দিলে এক দফার আন্দোলন শুরু করবে তারা। তখন আর সরকার এই আন্দোলন থেকে কাউকে পিছু হটাতে পারবে না। শুরুতেই এ জন্য তাদের দমনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এ কৌশলের অংশ হিসেবে বিরোধী....
সরকারের নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, ১১ জুনের কর্মসূচি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে দিলে এক দফার আন্দোলন শুরু করবে তারা। তখন আর সরকার এই আন্দোলন থেকে কাউকে পিছু হটাতে পারবে না। শুরুতেই এ জন্য তাদের দমনের পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। এ কৌশলের অংশ হিসেবে বিরোধী দলের ৩৩ নেতাকর্মীকে জেলে পাঠানো হয়েছে। সরকারের নীতিনির্ধারকেরা মনে করছেন, বিরোধী দল আগামী ১১ জুনের মহাসমাবেশকে কেন্দ্র করে গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও নানা বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে জনগণের ক্ষতি করতে পারে। ফলে তাদের চাপের মুখে রাখলে ক্ষয়ক্ষতি কম হবে। তাদের মতে, ১১ জুনের মহাসমাবেশে ব্যাপক লোকসমাগম হলে তাদের নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হবে। ফলে ১১ জুনের মহাসমাবেশ যাতে সফল না হয় সে জন্য বিরোধী দলের নেতাকর্র্মীদের নিয়ন্ত্রণ করতে বিভিন্ন কৌশল হাতে নিয়েছে।
জামায়াতে ইসলামীর আমীর সাবেক মন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী তার এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনেন। গ্রামগঞ্জের অবহেলিত রাস্তাঘাটে লাগে উন্নয়নের ছোঁয়া। সাঁথিয়া-বেড়ার এমন কোন রাস্তা ছিল না যেখানের আধুনিকায়নের পরশ লাগেনি। উন্নয়নের ধারায়....
জামায়াতে ইসলামীর আমীর সাবেক মন্ত্রী মাওলানা মতিউর রহমান নিজামী তার এলাকায় যোগাযোগ ব্যবস্থায় বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনেন। গ্রামগঞ্জের অবহেলিত রাস্তাঘাটে লাগে উন্নয়নের ছোঁয়া। সাঁথিয়া-বেড়ার এমন কোন রাস্তা ছিল না যেখানের আধুনিকায়নের পরশ লাগেনি। উন্নয়নের ধারায় সাঁথিয়া-বেড়ার গ্রাম আর পৌর এলাকা পৃথক করাই মুশকিল হয়ে পড়ে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, সাঁথিয়া- বেড়ার যে সব উন্নয়ন হয়েছে বলতে গেলে সবই মাওলানা নিজামীর হাতের ছোঁয়ায়।
রাজনীতিতে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা নিশ্চুপ রয়েছেন। দলে বা সভা-সেমিনারে তাদের তৎপরতা চোখে পড়ে না। সমঝোতার উদ্যোগহীনতা রাজনীতিতে জটিলতা সৃষ্টির জন্য অনেক ক্ষেত্রে দায়ী। কিছু বিষয়ে ক্ষমতাসীন দলের ভূমিকা ও বিএনপির ভূমিকাকে সমান দায়ী....
রাজনীতিতে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে আওয়ামী লীগের সিনিয়র নেতারা নিশ্চুপ রয়েছেন। দলে বা সভা-সেমিনারে তাদের তৎপরতা চোখে পড়ে না। সমঝোতার উদ্যোগহীনতা রাজনীতিতে জটিলতা সৃষ্টির জন্য অনেক ক্ষেত্রে দায়ী। কিছু বিষয়ে ক্ষমতাসীন দলের ভূমিকা ও বিএনপির ভূমিকাকে সমান দায়ী করেন ক্ষমতাসীন দলের একাধিক সিনিয়র নেতা।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে সাম্প্রতিককালে নানামুখী চাপে রয়েছে সরকার। ঘরে বাইরে সংকট ঘিরে রেখেছে সরকারি দলকে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের পক্ষে আন্দোলন এখন চ্যালেঞ্জের মুখে। ইলিয়াস আলীর ‘নিখোজ’ রহস্য, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে গাড়ি ভাঙচুর মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ ৩৩ নেতা কারাগারে, সাংবাদিক দম্পতি সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডসহ বিভিন্ন ঘটনা নিয়ে সরকার চাপে পড়েছে।
এখনো ফিরিয়ে নেওয়া হয়নি এমন নেতাদের মধ্যে রয়েছেন_সাবেক হুইপ আশরাফ হোসেন (বহিষ্কৃত), মফিকুল হাসান তৃপ্তি (বহিষ্কৃত), মেজর জেনারেল (অব.) জেড এ খান, শাহ মো. আবুল হোসেইন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, নজির হোসেন, জহিরউদ্দিন স্বপন, তাসমিম রানা, শাম্মি শেখ, যু....
এখনো ফিরিয়ে নেওয়া হয়নি এমন নেতাদের মধ্যে রয়েছেন_সাবেক হুইপ আশরাফ হোসেন (বহিষ্কৃত), মফিকুল হাসান তৃপ্তি (বহিষ্কৃত), মেজর জেনারেল (অব.) জেড এ খান, শাহ মো. আবুল হোসেইন, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুল, নজির হোসেন, জহিরউদ্দিন স্বপন, তাসমিম রানা, শাম্মি শেখ, যুবদল নেতা আলী আক্কাস নাদিম, নব্বইয়ের সাবেক ছাত্র নেতা সুরঞ্জন ঘোষ, ছাত্রদল নেতা মনির হোসেন প্রমুখ।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সংস্কারপন্থী অথচ বিএনপি থেকে বহিষ্কার হননি_এমন অনেক নেতাই চক্ষুলজ্জায় দূরে থাকলেও বিএনপির জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁরা অন্য কোনো দলে ভিড়তেও নারাজ। বিশেষ করে দলের চেয়ারপারসন ডাক দিলেই তাঁরা ছুটে যাবেন। অনেকে ইতিমধ্যে গুলশানের কার্যালয়ে আসা-যাওয়া শুরু করেছেন।
আফগানিস্তানে তালেবান হামলায় নিহত বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের এরিয়া ম্যানেজার কৃষিবিদ মহিউদ্দিন হেলালের স্ত্রী পারভীন আক্তার (৩৫) তার দুই সন্তানকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে চান। পাশাপাশি স্বামীর নিহতের ঘটনাকে তিনি পরিকল্পিত হ....
আফগানিস্তানে তালেবান হামলায় নিহত বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের এরিয়া ম্যানেজার কৃষিবিদ মহিউদ্দিন হেলালের স্ত্রী পারভীন আক্তার (৩৫) তার দুই সন্তানকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করতে চান। পাশাপাশি স্বামীর নিহতের ঘটনাকে তিনি পরিকল্পিত হত্যাকা- বলে প্রধানমন্ত্রীকে জানাতেও চান। এ প্রতিনিধির সঙ্গে শুক্রবার মুঠোফোনে আলাপকালে তিনি এ ইচ্ছা ব্যক্ত করেন। এদিকে ব্র্যাকের প্রতিশ্রুত ক্ষতিপূরণ বাবদ ১০ লাখ টাকা এখনো পাননি মহিউদ্দিনের পরিবার।
দেশের ৬৬ টি কারাগারে ধারণ ক্ষমতার ৫ গুণ হাজতি। কারাবন্দি এসব হাজতিরা অধিকাংশই বিনা বিচারে আটক রয়েছে। সরকার বিরোধী আন্দোলনে কর্মসূচি পালন কালে কিংবা সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতাদের রোষানলে পড়ে প্রতিদিনই মিথ্যা মামলার আসামী হয়ে জেলে যেতে হচ্ছে অনেক....
দেশের ৬৬ টি কারাগারে ধারণ ক্ষমতার ৫ গুণ হাজতি। কারাবন্দি এসব হাজতিরা অধিকাংশই বিনা বিচারে আটক রয়েছে। সরকার বিরোধী আন্দোলনে কর্মসূচি পালন কালে কিংবা সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতাদের রোষানলে পড়ে প্রতিদিনই মিথ্যা মামলার আসামী হয়ে জেলে যেতে হচ্ছে অনেককে। সর্বশেষ গত বুধবার ১৮ দলীয় জোটের শীর্ষ ৩৩ নেতাকে জামিন মঞ্জুর না করে জেলে প্রেরণ করে আদালত। জেলে আটককৃতদের সামাল দিতে যেমন কারাগারের দায়িত্বপ্রাপ্তরা হিমশিম খাচ্ছে তেমনি কারাবন্দীদেরও দুর্ভোগের শেষ নেই।
এ বছর ছয়টি শাখায় পুরস্কার দেওয়া হয়।.. সেরা ব্যবসায়িক ব্যক্তির পুরস্কার বিজয়ী আনোয়ার হোসেন প্রতিক্রিয়ায় অর্থমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আমরা সরকারের কাছে একটা কানাকড়িও চাই না। গ্যাস, বিদ্যুৎ, উন্নত রাস্তাঘাট আর শান্তিপূর্ণ আইনশৃঙ্খলা—এ চারটি বিষয় নিশ্....
এ বছর ছয়টি শাখায় পুরস্কার দেওয়া হয়।.. সেরা ব্যবসায়িক ব্যক্তির পুরস্কার বিজয়ী আনোয়ার হোসেন প্রতিক্রিয়ায় অর্থমন্ত্রীকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘আমরা সরকারের কাছে একটা কানাকড়িও চাই না। গ্যাস, বিদ্যুৎ, উন্নত রাস্তাঘাট আর শান্তিপূর্ণ আইনশৃঙ্খলা—এ চারটি বিষয় নিশ্চিত করে দিন। আমরা ব্যবসায়ীরা দেশকে বদলে দেব। দেশে কোনো অভাব থাকবে না। এ দেশের কোনো লোককে আর বিদেশে গিয়ে চাকরি করতে হবে না।’
উত্তরের জনপদজুড়ে এখন চলছে বোরো কাটার উৎসব। মাঠের পর মাঠ যেদিকে চোখ যায় শুধু সোনালি ধানের মৌ মৌ সুবাস। কৃষক, ব্যাপারি, ফড়িয়া, মধ্যস্বত্বভোগী_ সবার ভাষায় এবার বাম্পার ফলন হয়েছে। হাটে হাটে মণকে মণ ধান উঠছে প্রতিদিন। কেনাবেচা হচ্ছে। কিন্তু দাম পাচ্....
উত্তরের জনপদজুড়ে এখন চলছে বোরো কাটার উৎসব। মাঠের পর মাঠ যেদিকে চোখ যায় শুধু সোনালি ধানের মৌ মৌ সুবাস। কৃষক, ব্যাপারি, ফড়িয়া, মধ্যস্বত্বভোগী_ সবার ভাষায় এবার বাম্পার ফলন হয়েছে। হাটে হাটে মণকে মণ ধান উঠছে প্রতিদিন। কেনাবেচা হচ্ছে। কিন্তু দাম পাচ্ছেন না কৃষক। প্রকৃত দাম তো দূরের কথা সরকারের নির্ধারিত দামই পাচ্ছেন না। ফলে সোনালি ফসলের এমন আবাদে সবার মুখে হাসি থাকলেও কৃষকের মুখ থেকে হাসির ছটা উধাও। কৃষকের কাছে এই সোনালি ফসল এখন যেন গলার কাঁটা। কিন্তু কৃষকের এ কান্না শুনছে না কেউ। না সরকার, না ব্যবসায়ী।অভিযোগ উঠেছে, সরকার যে দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সে দামে যদি মিলমালিকরা সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনত তাহলে কৃষক লাভের মুখ না দেখুক অন্তত লোকসান গুনতে হতো না। কিন্তু মিলমালিকরা বেশি লাভের আশায় ফড়িয়া ও মধ্যস্বত্বভোগী দিয়ে কৃষকের কাছ থেকে ধান কেনাচ্ছে।
গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে ধান উৎপাদনের ২৮ ভাগ খরচ চলে যাচ্ছে সেচ বাবদ, যা ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের জন্য ১৫, থাইল্যান্ডে ১০ ও ভিয়েতনামে ৮ ভাগ। সেচ ছাড়াও সার, কীটনাশক, বীজ, বিদ্যুৎ, মাড়াই, পরিবহন শ্রমিক, যন্ত্রাংশসহ আনুষঙ্গিক কৃষি উপকরণের দাম দেশের ও....
গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে ধান উৎপাদনের ২৮ ভাগ খরচ চলে যাচ্ছে সেচ বাবদ, যা ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশের জন্য ১৫, থাইল্যান্ডে ১০ ও ভিয়েতনামে ৮ ভাগ। সেচ ছাড়াও সার, কীটনাশক, বীজ, বিদ্যুৎ, মাড়াই, পরিবহন শ্রমিক, যন্ত্রাংশসহ আনুষঙ্গিক কৃষি উপকরণের দাম দেশের ও আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ছে। বছরের ব্যবধানে এসব উপকরণের দাম দেড় থেকে তিনগুণ পর্যন্ত বেড়েছে। ফলে কৃষি উৎপাদন ব্যয় বছরে ৯ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।
তারল্য সঙ্কটের প্রভাব পড়ছে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে। এ কারণে আমদানি কমে গেছে। ডলারের সঙ্কটে ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির এলসি খুলতে পারছেন না। এ কারণে শিল্পের মূলধনী যন্ত্রপাতি, শিল্পের কাঁচামালসহ আমদানি অস্বাভাবিক হারে কমে গেছে। একই ....
তারল্য সঙ্কটের প্রভাব পড়ছে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে। এ কারণে আমদানি কমে গেছে। ডলারের সঙ্কটে ব্যবসায়ীরা প্রয়োজনীয় পণ্য আমদানির এলসি খুলতে পারছেন না। এ কারণে শিল্পের মূলধনী যন্ত্রপাতি, শিল্পের কাঁচামালসহ আমদানি অস্বাভাবিক হারে কমে গেছে। একই সাথে কমে যাচ্ছে রফতানি আয়ও। সামগ্রিক অর্থনীতির বিকাশে এর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে।
অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, চলতি অর্থবছরে এমনিতেই দেশের শিল্পকারখানা পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ ও গ্যাস পাচ্ছে না। এর ওপর রয়েছে তারল্যসঙ্কট। কাক্সিত হারে বিদেশী ঋণ অবমুক্ত হচ্ছে না। ঘাটতি মেটাতে সরকারকে ব্যাংক থেকে অধিক মাত্রায় ঋণ নিতে হচ্ছে। সব মিলে দেশের অর্থনীতি শ্লথগতি থেকে বের হতে পারছে না।
পদ্মা সেতু নির্মাণে আগামী অর্থবছরে সরকার ৪ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ রাখতে যাচ্ছে। মালয়েশিয়ার সঙ্গে চুক্তি সম্পাদনের ব্যাপারে খসড়া চুক্তির খুঁটিনাটি চূড়ান্ত করতে উচ্চ পর্যায়ের এক প্রতিনিধি দল ২৭শে মে ঢাকা আসছে। নেতৃত্ব দেবেন মালয়েশিয়া সরকারের বিশেষ দূত....
পদ্মা সেতু নির্মাণে আগামী অর্থবছরে সরকার ৪ হাজার কোটি টাকার বরাদ্দ রাখতে যাচ্ছে। মালয়েশিয়ার সঙ্গে চুক্তি সম্পাদনের ব্যাপারে খসড়া চুক্তির খুঁটিনাটি চূড়ান্ত করতে উচ্চ পর্যায়ের এক প্রতিনিধি দল ২৭শে মে ঢাকা আসছে। নেতৃত্ব দেবেন মালয়েশিয়া সরকারের বিশেষ দূত দাতো সেরি এস সামি ভেরু, সঙ্গে থাকবেন কনসোর্টিয়ামের সদস্যরা এবং চীনের ইঞ্জিনিয়ারিং বিশেষজ্ঞ দল। তাদের ঢাকা অবস্থানকালেই খসড়া চুক্তির খুঁটিনাটি চূড়ান্ত করে চুক্তি সম্পাদন করতে চাচ্ছে মালয়েশিয়া। ২৮শে মে তারা যোগাযোগমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে মিলিত হবেন। এদিকে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে সম্পাদিত ঋণ চুক্তির কার্যকারিতার বর্ধিত মেয়াদ রয়েছে জুন পর্যন্ত। এই মেয়াদ শেষেই সরকার মালয়েশিয়ার সঙ্গে চুক্তি সম্পাদন করবে।
দীর্ঘ দূরত্বে বাস আর মাঝারি দূরত্বে হিউম্যান হলার নিয়েই পরিবহন ব্যবস্থা সোয়া কোটি জনসংখ্যার এ নগরীতে। কাছাকাছি দূরত্বে, কর্মস্থলে ও স্কুল-কলেজে যাতায়াতের জন্য মধ্য আয়ের পরিবারের নির্ভরযোগ্য বাহন ছিল রিকশা। জরুরি প্রয়োজনে বা সপরিবারে বের হলে প্রয়োজন স....
দীর্ঘ দূরত্বে বাস আর মাঝারি দূরত্বে হিউম্যান হলার নিয়েই পরিবহন ব্যবস্থা সোয়া কোটি জনসংখ্যার এ নগরীতে। কাছাকাছি দূরত্বে, কর্মস্থলে ও স্কুল-কলেজে যাতায়াতের জন্য মধ্য আয়ের পরিবারের নির্ভরযোগ্য বাহন ছিল রিকশা। জরুরি প্রয়োজনে বা সপরিবারে বের হলে প্রয়োজন স্কুটার। তার বদলে চালু হয়েছে সিএনজি-চালিত অটোরিকশা। প্রয়োজনের চেয়ে কম হওয়ায় এখন অটোরিকশা পাওয়াই ভাগ্যের ব্যাপার। তাই মিটারে ভাড়া দেওয়ার আশা কেউ করে না। বেশির ভাগ রাস্তায় রিকশা
নিষিদ্ধ। গত পাঁচ বছরে অটোরিকশার ভাড়া বেড়ে হয়েছে দুই থেকে আড়াইগুণ। চালুর ১৫ বছরের মধ্যেই রাস্তা থেকে প্রায় অদৃশ্য হয়ে গেছে কালো ও হলুদ রঙের ট্যাঙ্কি্যাবও।
দেশের ৬৯টি বিদ্যুত কেন্দ্রর মধ্যে দিনে ৩৬টি আর সন্ধ্যায় বন্ধ রাখা হচ্ছে ২৩টি। ফলে কেন্দ্র থাকলেও বিদ্যুত মিলছে না। নতুন বিদ্যুত কেন্দ্র উৎপাদনে এলেই পরিস্থিতি বদলাবে এমন কথাও বলে না সরকার। কবে এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে সে বিষয়েও কথা ছেড়ে দিয়েছে বিদ্....
দেশের ৬৯টি বিদ্যুত কেন্দ্রর মধ্যে দিনে ৩৬টি আর সন্ধ্যায় বন্ধ রাখা হচ্ছে ২৩টি। ফলে কেন্দ্র থাকলেও বিদ্যুত মিলছে না। নতুন বিদ্যুত কেন্দ্র উৎপাদনে এলেই পরিস্থিতি বদলাবে এমন কথাও বলে না সরকার। কবে এই পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে সে বিষয়েও কথা ছেড়ে দিয়েছে বিদ্যুত বিভাগের কর্তারা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখন পর্যন্ত যে সব বিদ্যুত কেন্দ্র চালু হয়েছে তাই জ্বালানি সঙ্কটে উৎপাদন করতে পারছে না। ফলে নতুন বিদ্যুত কেন্দ্র এল বা না এল তা নিয়ে আপাতত কারো মাথা ব্যথা নেই।
গত ৪ মাসে বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৪৫৬ জন কর্মী বিদেশে গেছেন। গত বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত এ সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৩৩ এবং ২০১০ সালের একই সময়ে বিদেশে গেছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৭৮৭ জন কর্মী।
বৈদেশিক কর্ম....
গত ৪ মাসে বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ২ লাখ ৪৯ হাজার ৪৫৬ জন কর্মী বিদেশে গেছেন। গত বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত এ সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৫৩ হাজার ৯৩৩ এবং ২০১০ সালের একই সময়ে বিদেশে গেছেন ১ লাখ ৩৪ হাজার ৭৮৭ জন কর্মী।
বৈদেশিক কর্মসংস্থান ও প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং জনশক্তি, কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো (বিএমইটি) থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। এদিকে, বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসেব অনুযায়ী, চলতি বছরের গত ৪ মাসে বৈদেশিক অর্থপ্রবাহ (রেমিট্যান্স)ও হয়েছে রেকর্ড পরিমাণ। এই সময়ে বাংলাদেশে রেমিট্যান্স এসেছে ৪৫৪ কোটি ৫৮ লাখ মার্কিন ডলার অর্থাৎ ৩৭ হাজার ৫২০ কোটি ২৬ লাখ টাকা।
আবাসন সেক্টরে স্থবিরতা নেমে এসেছে। বিক্রি কমে গেছে ৫০ শতাংশের বেশি। ৪৬ হাজার ফ্ল্যাট নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরমধ্যে ২৮ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণাধীন রয়েছে। ১৮ হাজার ফ্ল্যাট প্রস্তুত। এগুলো হস্তান্তর করতে পারছে না কোম্পানিগুলো। এর আগে বিদ্যুৎ, গ্যাস স....
আবাসন সেক্টরে স্থবিরতা নেমে এসেছে। বিক্রি কমে গেছে ৫০ শতাংশের বেশি। ৪৬ হাজার ফ্ল্যাট নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এরমধ্যে ২৮ হাজার ফ্ল্যাট নির্মাণাধীন রয়েছে। ১৮ হাজার ফ্ল্যাট প্রস্তুত। এগুলো হস্তান্তর করতে পারছে না কোম্পানিগুলো। এর আগে বিদ্যুৎ, গ্যাস সংযোগের জন্য ফ্ল্যাট হস্তান্তর করা থেমে গেলেও এখন এর সঙ্গে নতুন করে যোগ হয়েছে অর্থসঙ্কট। ক্রেতারা ফ্ল্যাটের কিস্তি দিচ্ছেন না। তাদের হাতেও টাকা নেই। এই অবস্থায় কোম্পানিগুলোর হাজার হাজার কোটি টাকা আটকে গেছে এ খাতে। আটকে গেছে অনেক প্রকল্প। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এর আগে যা-ও বা বিক্রি হতো এখন তা-ও হচ্ছে না।
প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ট্রানজিট ও কানেকটিভিটি দিতে আন্তঃদেশীয় পণ্য পরিবহনের নীতিমালা এবং ট্রানজিট মাশুলের বিষয় আইনি কাঠামোতে আনা হচ্ছে। এজন্য আন্তঃদেশীয় পণ্য পরিবহন সম্পর্কে বিশ্ব স্বীকৃত জেনারেল অ্যাগ্রিমেন্ট অন ট্যারিফস অ্যান্ড ট্রেড (গ্যাট) এ....
প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে ট্রানজিট ও কানেকটিভিটি দিতে আন্তঃদেশীয় পণ্য পরিবহনের নীতিমালা এবং ট্রানজিট মাশুলের বিষয় আইনি কাঠামোতে আনা হচ্ছে। এজন্য আন্তঃদেশীয় পণ্য পরিবহন সম্পর্কে বিশ্ব স্বীকৃত জেনারেল অ্যাগ্রিমেন্ট অন ট্যারিফস অ্যান্ড ট্রেড (গ্যাট) এবং শুল্ক আইনের সামঞ্জস্য-অসামঞ্জস্য খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আন্তঃদেশ পরিবহনের জন্য বাংলাদেশ অথবা ভারতের মালিকানাধীন জাহাজের জন্য কোন ধরনের বিধি প্রয়োগ এবং নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হবে তাও পর্যালোচনা করা হবে। এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা আহ্বান করা হয়েছে।
সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও বহুল প্রত্যাশিত তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তিটি শেষ মুহূর্তে স্বাক্ষর না হওয়ার জন্য ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে দায়ী করেছেন ক্ষমতাসীন কংগেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড প্রোগ্রেসিভ এলায়েন্স (ইউপিএ) সরকারের পররাষ্ট্র সচিব রঞ্জন মাথাই....
সকল প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেও বহুল প্রত্যাশিত তিস্তার পানিবণ্টন চুক্তিটি শেষ মুহূর্তে স্বাক্ষর না হওয়ার জন্য ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিকে দায়ী করেছেন ক্ষমতাসীন কংগেস নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড প্রোগ্রেসিভ এলায়েন্স (ইউপিএ) সরকারের পররাষ্ট্র সচিব রঞ্জন মাথাই ও পানিসম্পদ সচিব ডি ভি সিং।
আগেও অনেকবার ঢাকায় মাদকসহ অবস্থান করেছিলেন নাইজেরিয়ান তরুণী আইকেমি চিজোবা বেতসি (৩২)। বুধবার বনানীতে কোকেনসহ গ্রেফতারের পর পুলিশের কাছে এ তথ্য দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, ক্যামেরুন থেকে কোকেনগুলো ঢাকায় নিয়ে আসেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর চোখ ফাঁকি দ....
আগেও অনেকবার ঢাকায় মাদকসহ অবস্থান করেছিলেন নাইজেরিয়ান তরুণী আইকেমি চিজোবা বেতসি (৩২)। বুধবার বনানীতে কোকেনসহ গ্রেফতারের পর পুলিশের কাছে এ তথ্য দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, ক্যামেরুন থেকে কোকেনগুলো ঢাকায় নিয়ে আসেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাবাহিনীর চোখ ফাঁকি দিতেই দিনকয়েক আগে তিনি এসব কোকেন তার পাকস্থলীতে বহন করছিলেন। বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বনানীর ১৮ নম্বর রোডের এ ব্লকের ১২ নম্বর হোটেল প্যাসিফিক ইন ইন্টারন্যাশনাল থেকে বেতসিকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এ সময় তার কাছ থেকে রুপালি রঙের ক্যাপসুলসদৃশ দুটি বস্তু উদ্ধার করা হয়। পরে রাসায়নিক পরীক্ষায় দেখা যায় এগুলো কোকেন। তার কাছে একাধিক নাইজেরিয়ান পাসপোর্ট পাওয়া গেছে। বনানী থানার ওসি (তদন্ত) কাজী মাইনুল হোসেন বলেন, কোকেনসহ নাইজেরিয়ান তরুণীকে গ্রেফতারের পর আন্তর্জাতিক মাদক সিন্ডিকেটের চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে
এরশাদ আমলের শেষ দিকে কয়েক কেজি হেরোইনসহ ঢাকা বিমানবন্দরে ধরা পড়েছিলেন মার্কিন তরুণী এলিয়েদা। মাদক পাচারকারী দলের সদস্য এই মেয়েটি পুলিশকে বলেছিলেন, আফ্রিকান এক কৃষ্ণাঙ্গ যুবক প্রেমের ভান করে এ মাদক তার কাছে দিয়ে, তাকে ফাঁসিয়ে দিয়েছেন। পরে অবশ্য....
এরশাদ আমলের শেষ দিকে কয়েক কেজি হেরোইনসহ ঢাকা বিমানবন্দরে ধরা পড়েছিলেন মার্কিন তরুণী এলিয়েদা। মাদক পাচারকারী দলের সদস্য এই মেয়েটি পুলিশকে বলেছিলেন, আফ্রিকান এক কৃষ্ণাঙ্গ যুবক প্রেমের ভান করে এ মাদক তার কাছে দিয়ে, তাকে ফাঁসিয়ে দিয়েছেন। পরে অবশ্য কৃষ্ণাঙ্গ ওই যুবককেও পুলিশ গ্রেফতার করে। যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত এলিয়েদাকে অবশ্য কারাগারে বেশি দিন থাকতে হয়নি। ঢাকার মার্কিন দূতাবাস ও মার্কিন পররাষ্ট্র দফতরের হস্তক্ষেপে এলিয়েদা মুক্তি পান এবং তাকে স্বদেশে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর মতে, বাংলাদেশে মাদক ব্যবসায় বিদেশিরা জড়িত, এলিয়েদা আটকের ঘটনার মাধ্যমেই তা প্রথম জানাজানি হয়। এর পর থেকে ভিনদেশি, বশেষ করে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশের নাগরিকদের যাতায়াত বেড়ে যায় বাংলাদেশে। আফ্রিকান নাগরিকদের বড় ধরনের আস্তানা এখন বাংলাদেশে। এদের একটি বড় অংশ অনেক দিন ধরে মাদক পাচার করে আসছে
রাজধানীর মিরপুর ১৪ নম্বর পুলিশ স্টাফ কলেজের পেছনের ভবনেই ডগ স্কোয়াডের থাকার ব্যবস্থা। গরম বাড়তে থাকায় রাজধানীর শিশু থেকে বৃদ্ধ সবারই কাহিল অবস্থা। র্যাবের ডগ স্কোয়াডের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে ২০ ফিট বাই ১২ ফিটের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ।
ম....
রাজধানীর মিরপুর ১৪ নম্বর পুলিশ স্টাফ কলেজের পেছনের ভবনেই ডগ স্কোয়াডের থাকার ব্যবস্থা। গরম বাড়তে থাকায় রাজধানীর শিশু থেকে বৃদ্ধ সবারই কাহিল অবস্থা। র্যাবের ডগ স্কোয়াডের জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে ২০ ফিট বাই ১২ ফিটের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষ।
মেজর আসাদুজ্জামান সমকালকে জানান, প্রতিদিনের প্রশিক্ষণ শেষে তাদের স্যালাইন পানি খাওয়ানো হচ্ছে। গরুর মাংস কমিয়ে সবজির পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। মুরগির মাংস দেওয়া হচ্ছে পরিমিত।
সোনালী ব্যাংক কলেজগেট শাখায় এক মাসেই বিদেশ গমন্নেচ্ছুকদের কাছ থেকে ইমার্জেন্সি পাসপোর্টের জন্য সরকারি ফি বাবদ গৃহীত ১৫০টি পাসপোর্টের বিপরীতে আট লাখ টাকার স্থলে ব্যাংকে জমা হয়েছে মাত্র ছয় হাজার টাকা। সরকার এক মাসে ব্যাংকের একটি শাখার মাধ্যমেই বঞ্চিত হ....
সোনালী ব্যাংক কলেজগেট শাখায় এক মাসেই বিদেশ গমন্নেচ্ছুকদের কাছ থেকে ইমার্জেন্সি পাসপোর্টের জন্য সরকারি ফি বাবদ গৃহীত ১৫০টি পাসপোর্টের বিপরীতে আট লাখ টাকার স্থলে ব্যাংকে জমা হয়েছে মাত্র ছয় হাজার টাকা। সরকার এক মাসে ব্যাংকের একটি শাখার মাধ্যমেই বঞ্চিত হয়েছে আট লাখ টাকার রাজস্ব থেকে। এই হিসাব গত ডিসেম্বরের। প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী দেখা যায়, একটি ব্যাংকের মাধ্যমেই বছরে পাসপোর্টের সরকারি ফি বাবদ প্রায় এক কোটি টাকার রাজস্ব থেকে বঞ্চিত হয়েছে সরকার। অপরদিকে এই টাকার ভাগ পেয়েছেন সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের কতিপয় কর্মকর্তা, ঢাকা আঞ্চলিক অফিসের পাসপোর্ট ইস্যু শাখার কর্মকর্তা, কর্মচারী ও দালালরা।
ইয়াবা চোরাচালানের সঙ্গে বেশ কয়েক বছর আগে যুক্ত হয় খুলু। গ্রেপ্তার হওয়ার আগ পর্যন্ত ইয়াবার পাঁচ-সাতটি বড় চালান
ঢাকা পেঁৗছাতে পেরেছে এই চোরাকারবারি। এর মধ্যে মার্চ মাসে আড়াই লাখ ইয়াবা ট্যাবলেট ঢাকায় বিক্রি করে গেছে।
গতকাল আটক চালানটিও ঢাক....
ইয়াবা চোরাচালানের সঙ্গে বেশ কয়েক বছর আগে যুক্ত হয় খুলু। গ্রেপ্তার হওয়ার আগ পর্যন্ত ইয়াবার পাঁচ-সাতটি বড় চালান
ঢাকা পেঁৗছাতে পেরেছে এই চোরাকারবারি। এর মধ্যে মার্চ মাসে আড়াই লাখ ইয়াবা ট্যাবলেট ঢাকায় বিক্রি করে গেছে।
গতকাল আটক চালানটিও ঢাকায় পেঁৗছে দেওয়ার
জন্য মজুদ করা হয়েছিল। ঢাকায় কার কার কাছে পেঁৗছে দেওয়ার কথা ছিল তাদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে র্যাব।
খোঁজ নিয়ে জানা যায়, খুলু মিয়ানামারের রোহিঙ্গা মুসলিম।
গলাকাটা পাসপোর্ট, জাল পাসপোর্ট ও পাসপোর্ট করতে নানামুখী হয়রানি ও দুর্নীতি বন্ধে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরআই) প্রকল্প চালু হলেও ব্যাংকে পাসপোর্টের সরকারি টাকা জমা দেয়ার প্রক্রিয়ায় কোটি কোটি টাকার ডিজিটাল দুর্নীতি হচ্ছে। এই দুর্নীতির টাকা লোপাটের....
গলাকাটা পাসপোর্ট, জাল পাসপোর্ট ও পাসপোর্ট করতে নানামুখী হয়রানি ও দুর্নীতি বন্ধে মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট (এমআরআই) প্রকল্প চালু হলেও ব্যাংকে পাসপোর্টের সরকারি টাকা জমা দেয়ার প্রক্রিয়ায় কোটি কোটি টাকার ডিজিটাল দুর্নীতি হচ্ছে। এই দুর্নীতির টাকা লোপাটের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন পাসপোর্ট আঞ্চলিক অফিস ও সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের অসাধু কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং দালালরা। পাসপোর্টের ঢাকা আঞ্চলিক কার্যালয় থেকে শুরু করে দেশের বিভাগীয় এবং জেলা আঞ্চলিক কার্যালয়গুলোতেও একইভাবে দুর্নীতি হচ্ছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী দেখা যায়, ইমার্জেন্সি পাসপোর্ট পেতে দেশের যে কোন নাগরিককে ব্যাংকে জমা দিতে হয় ছয় হাজার টাকা, আর স্বাভাবিক প্রক্রিয়ায় ওই পাসপোর্টের জন্য জমা দিতে হয় তিন হাজার টাকা। কিন্তু দুর্নীতিবাজ চক্রটি ছয় হাজার টাকার স্থলে ৬০০ টাকা ও তিন হাজার টাকার স্থলে ৩০০ টাকা ব্যাংকে জমা করে যথাক্রমে ছয় হাজার ও তিন হাজার টাকা জমা রসিদের স্লিপ পাসপোর্ট গ্রহণকারী ব্যক্তির হাতে ধরিয়ে দিচ্ছে। যা একেবারে জাল। ওই জাল রসিদ আবার ব্যাংক থেকে পাসপোর্ট অফিসে পাসপোর্ট গ্রহণকারীর আবেদনের সঙ্গেও সংযুক্ত করে দিচ্ছে। এ প্রক্রিয়ায় প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে সংঘবদ্ধ চক্রটি।
চট্টগ্রাম মহানগরীর অন্যতম বাণিজ্য এলাকা আসাদগঞ্জের একটি গুদাম থেকে গতকাল শুক্রবার ভোরে প্রায় ১২ কোটি টাকা মূল্যের পৌনে ৩ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটের একটি বিশাল চালান উদ্ধার করা হয়েছে। নিজস্ব গোয়েন্দা উইংয়ের সহযোগিতায় র্যাব-১ এবং র্যাব-৭ চট্টগ্রামে....
চট্টগ্রাম মহানগরীর অন্যতম বাণিজ্য এলাকা আসাদগঞ্জের একটি গুদাম থেকে গতকাল শুক্রবার ভোরে প্রায় ১২ কোটি টাকা মূল্যের পৌনে ৩ লাখ পিস ইয়াবা ট্যাবলেটের একটি বিশাল চালান উদ্ধার করা হয়েছে। নিজস্ব গোয়েন্দা উইংয়ের সহযোগিতায় র্যাব-১ এবং র্যাব-৭ চট্টগ্রামের একাধিক বিশেষ টিম টানা চারদিন অভিযান শেষে এই যাবত্কালের সর্ববৃহত্ এই মাদকের চালানটি উদ্ধার করে। এ সময় ইয়াবা গডফাদার খ্যাত আবদুর রশিদ ওরফে খুলু নামের এক শীর্ষ মাদক চোরাচালানকারীসহ চারজনকে গ্রেফতার করা হয়।
শান্তি চুক্তির ১৫ বছরেও অভিন্ন মানুষ হতে পারেনি পার্বত্যবাসী। এখনো সেখানে ‘ওরা’ আর ‘আমরা’ চলছে। সুযোগ পেলেই ঘটে পাল্টাপাল্টি খুন, অপহরণ। সার্বক্ষণিক আতঙ্ক নিয়েই পাহাড়ের মানুষের বসবাস। যে শান্তির আশায় ঐতিহাসিক চুক্তি—সেই শান্তি আজও অধরা। চুক্তি হলে....
শান্তি চুক্তির ১৫ বছরেও অভিন্ন মানুষ হতে পারেনি পার্বত্যবাসী। এখনো সেখানে ‘ওরা’ আর ‘আমরা’ চলছে। সুযোগ পেলেই ঘটে পাল্টাপাল্টি খুন, অপহরণ। সার্বক্ষণিক আতঙ্ক নিয়েই পাহাড়ের মানুষের বসবাস। যে শান্তির আশায় ঐতিহাসিক চুক্তি—সেই শান্তি আজও অধরা। চুক্তি হলেও তার মৌলিক বিষয়গুলো এখনো বাস্তবায়ন হয়নি। এজন্য শান্তিও আসেনি বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর তত্কালীন আওয়ামী লীগ সরকার স্বায়ত্তশাসনকামী পাহাড়ীদের সাথে শান্তি চুক্তি করে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তখনও প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। এই চুক্তির ফলে পাহাড়ে ৭০ দশক থেকে চলা রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ-সংঘাতের অবসান হয়।
গত তিন বছরে দলীয় পরিচয়ে নিয়োগ শিক্ষক আর উন্নয়নের নামে কোটি কোটি টাকার টেন্ডারবাজির বিরুদ্ধে কি পদক্ষেপ নেবেন পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্বের অধিকারী অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন। কপালে ভাঁজ। ভেতরে দুঃশ্চিন্তা। তবুও দৃঢ় ব্যক্তিত্বের সঙ্গে কঠোর উচ্চারণ, ভিসির দায়িত্....
গত তিন বছরে দলীয় পরিচয়ে নিয়োগ শিক্ষক আর উন্নয়নের নামে কোটি কোটি টাকার টেন্ডারবাজির বিরুদ্ধে কি পদক্ষেপ নেবেন পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্বের অধিকারী অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন। কপালে ভাঁজ। ভেতরে দুঃশ্চিন্তা। তবুও দৃঢ় ব্যক্তিত্বের সঙ্গে কঠোর উচ্চারণ, ভিসির দায়িত্ব আমার কাছে অপ্রত্যাশিত ছিল। এটা যেমন গৌরবের তেমনি দায়িত্ব পালন কঠিন চ্যালেঞ্জেরও। টেন্ডারবাজিসহ সকল অনিয়মের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। পুরো পরিস্থিতিকে নির্মোহভাবেই দেখে সিদ্ধান্ত নেবো।
চল্লিশ বছর আগের ঢাকা শহর এখন বিশাল আকার ধারণ করেছে। উপাধিও বদলেছে। এখন তার নাম হয়েছে ঢাকা মহানগর। বাংলাদেশের রাজধানী। পৃথিবীর অন্যতম প্রধান জনবহুল নগরী। এর বৈশিষ্ট্যও বদলেছে লক্ষণীয়ভাবে। ঢাকা এখন একটি একক বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত জনপদ নয়। এর বিভিন্ন অংশের স্ব....
চল্লিশ বছর আগের ঢাকা শহর এখন বিশাল আকার ধারণ করেছে। উপাধিও বদলেছে। এখন তার নাম হয়েছে ঢাকা মহানগর। বাংলাদেশের রাজধানী। পৃথিবীর অন্যতম প্রধান জনবহুল নগরী। এর বৈশিষ্ট্যও বদলেছে লক্ষণীয়ভাবে। ঢাকা এখন একটি একক বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত জনপদ নয়। এর বিভিন্ন অংশের স্বাতন্ত্র্য দৃশ্যমান। মোটা দাগে ঢাকাকে তিনটি অঞ্চলে ভাগ করা যায় : দক্ষিণ ঢাকা, মধ্য ঢাকা ও উত্তর ঢাকা। তবে অবস্থান, ভৌত অবকাঠামো, বাসিন্দাদের বিত্তবৈভব এবং সাংস্কৃতিক প্রকাশের বিবেচনায় প্রতিটি ভাগকে আবার পূর্ব এবং পশ্চিম অঞ্চলে বিভক্ত করা যেতে পারে। সে হিসেবে ঢাকা মহানগরে মোট ছয়টি অঞ্চল চিহ্নিত করা যেতে পারে।
বাংলাদেশের রাজনীতি আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকার ও বিরোধী দল আবার রাজপথে মুখোমুখি। হরতালের প্রতি জনসমর্থন নেই, তবু সেই হরতালকে হাতিয়ার করে বিএনপি জোট আবার মাঠে নেমেছে। সরকারও হার্ডলাইনে গেছে। বিএনপি জোটের বিশালসংখ্যক নেতা রাজপথে অরাজকতা সৃষ্টি, ভাংচু....
বাংলাদেশের রাজনীতি আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। সরকার ও বিরোধী দল আবার রাজপথে মুখোমুখি। হরতালের প্রতি জনসমর্থন নেই, তবু সেই হরতালকে হাতিয়ার করে বিএনপি জোট আবার মাঠে নেমেছে। সরকারও হার্ডলাইনে গেছে। বিএনপি জোটের বিশালসংখ্যক নেতা রাজপথে অরাজকতা সৃষ্টি, ভাংচুরের দায়ে পুলিশি মামলায় জেলে বন্দি। তাতে বিরোধী দলের মিটিং, মিছিল, হরতাল করার জোর কমেছে। কিন্তু জনজীবনে দুর্ভোগ কিছুমাত্র কমেনি, বরং বেড়েছে। ১৭ মে বৃহস্পতিবারের হরতালেও তা প্রমাণ হয়েছে। দেশব্যাপী সকাল-সন্ধ্যা হরতালের ডাক তেমন সফল হয়নি; কিন্তু ভাংচুর, গাড়িতে অগি্নসংযোগ হয়েছে সমানভাবেই।
বিরোধী দল আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার ঘোষণা দিচ্ছে। অন্যদিকে সরকারও যে হার্ডলাইনে গেছে, ব্যাপক ধরপাকড় থেকে তা বোঝা যাচ্ছে। রাজায় রাজায় যুদ্ধ হচ্ছে, প্রাণ যাচ্ছে উলুখড়ের। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, ভারতের অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি এবং জাপানের উপ-প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক ঢাকা সফর তাদের নিজ নিজ দেশের স্বার্থপ্রণোদিত হওয়া সত্ত্বেও বাংলাদেশের প্রধান দু'দলকে তারা সংলাপে বসার পরামর্শ দিয়ে যাওয়ায় এবং দু'দলই সংলাপে আগ্রহ প্রকাশ করায় ঢাকায় মিডিয়াগুলো আশা প্রকাশ করছিল যে, দেশের রাজনীতিতে সংলাপ ও সমঝোতার হাওয়া বইছে। এ আশা যে কত ঠুনকো তা দু'দিন না যেতেই দেখা যাচ্ছে।
মহাজাগতিক সৃষ্টিকর্ম শুরুর আগে স্থান, কাল ও বস্তু বলতে যখন কিছুই ছিল না, তখন সবই ছিল অন্ধকার কেবলই ঘুটঘুটে অন্ধকার। তারপর কোন এক অজানা মুহূর্তে আল্লাহ যখন ঠিক করলেন বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি করবেন তখন তাঁর বলার সঙ্গে সঙ্গে চারদিকে জ্বলে উঠল ঝলমলে আলো। ত....
মহাজাগতিক সৃষ্টিকর্ম শুরুর আগে স্থান, কাল ও বস্তু বলতে যখন কিছুই ছিল না, তখন সবই ছিল অন্ধকার কেবলই ঘুটঘুটে অন্ধকার। তারপর কোন এক অজানা মুহূর্তে আল্লাহ যখন ঠিক করলেন বিশ্বব্রহ্মাণ্ড সৃষ্টি করবেন তখন তাঁর বলার সঙ্গে সঙ্গে চারদিকে জ্বলে উঠল ঝলমলে আলো। তাই তো অন্ধকারের পরই আলো আসে। এ জগতে সবকিছুরই সূচনা কিন্তু অন্ধকার থেকে। এ একই নিয়মে রাতের পর আসে দিন তারপর আবার রাত। এভাবে চক্রাকারে রাত-দিন ঘুরে-ফিরে আবর্তিত হয়ে আসছে সময়ের প্রথমলগ্ন থেকেই। আমরা জানি রাত কালো অন্ধকারকে ধারণ করে এবং দিন চারদিকে ছড়িয়ে দেয় সোনালি আলো। মহাকালের কাছে এ আলো-আঁধার ও দিন-রাত সময়ের মাপকাঠি মাত্র। দিনের সঙ্গে দিন যোগ হয়েই গড়ে ওঠে সপ্তাহ, মাস, বছর। আর সেই আদি আলোর শুরু থেকে এ পর্যন্ত কেটে গেছে কত লাখ-কোটি বছর, বিজ্ঞানও তার সঠিক হিসাব জানে না।
নিশ্চয়ই তাঁর এভাবে মরে যাওয়া উচিত হয়নি, ভুখানাঙা শিক্ষকদের সঙ্গে থাকাও উচিত হয়নি। তাঁর থাকা উচিত ছিল সমুদ্রজয়ের সমাবেশে কিংবা হরতালবিরোধী মিছিলে! তাই তাঁর মৃত্যুতে কোনো মন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করেননি, বুদ্ধিজীবীরা বিবৃতি দেননি, কেউ আদালতে রুল চাইতে যাননি....
নিশ্চয়ই তাঁর এভাবে মরে যাওয়া উচিত হয়নি, ভুখানাঙা শিক্ষকদের সঙ্গে থাকাও উচিত হয়নি। তাঁর থাকা উচিত ছিল সমুদ্রজয়ের সমাবেশে কিংবা হরতালবিরোধী মিছিলে! তাই তাঁর মৃত্যুতে কোনো মন্ত্রী দুঃখ প্রকাশ করেননি, বুদ্ধিজীবীরা বিবৃতি দেননি, কেউ আদালতে রুল চাইতে যাননি! তিনি যখন হাসপাতালে, এমনকি আমাদের ‘প্রলেতারিয়েত’ শিক্ষামন্ত্রী তাঁকে দেখতেও যাননি।
শেখ হাসিনার প্রতি ৭৭ ভাগ মানুষের আস্থা আছে, তার অর্থ এই নয়, সরকারের কার্যকলাপের প্রতি ৭৭ ভাগ মানুষের আস্থা আছে। তেমনটি ভাবলে ভুল হবে। বরং ভাবতে হবে, তাঁর প্রতি এই আস্থাটাকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে সরকারের অবাস্তবায়িত জনসম্পৃৃক্ত এজেন্ডাগুলো দ্রুত বাস্তবায়....
শেখ হাসিনার প্রতি ৭৭ ভাগ মানুষের আস্থা আছে, তার অর্থ এই নয়, সরকারের কার্যকলাপের প্রতি ৭৭ ভাগ মানুষের আস্থা আছে। তেমনটি ভাবলে ভুল হবে। বরং ভাবতে হবে, তাঁর প্রতি এই আস্থাটাকে কাজে লাগিয়ে কীভাবে সরকারের অবাস্তবায়িত জনসম্পৃৃক্ত এজেন্ডাগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন করা যায়। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের পুনরায় ক্ষমতায় ফিরতে হলে এর বিকল্প নেই। বর্তমান সরকারের আমলে অর্জন অনেক। এখন দেখতে হবে, লাভের সব গুড় যেন পিঁপড়ায় না খায়।
সবশেষে একটা কথা না বললেই নয়। এক ড. ইউনূসের পেছনে সরকারের এত শক্তি ক্ষয় করার কোনো প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না। তাতে লাভ নেই। এই মুহূর্তে নিজের চরকায় তেল দেওয়া অনেক বেশি প্রয়োজন।
আমাদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল ও বিস্ফোরণোš§ুখ হয়ে উঠছে। বহুদিন থেকেই আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনে অসহিষ্ণুতা ও সংঘাত চলে আসছে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের নেত্রী পরস্পরের ছায়া পর্যন্ত মাড়ান না। বস্তুত, বর্তমানে তারা আর রাজনৈতিক প্....
আমাদের রাজনৈতিক পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল ও বিস্ফোরণোš§ুখ হয়ে উঠছে। বহুদিন থেকেই আমাদের রাজনৈতিক অঙ্গনে অসহিষ্ণুতা ও সংঘাত চলে আসছে। আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধী দলের নেত্রী পরস্পরের ছায়া পর্যন্ত মাড়ান না। বস্তুত, বর্তমানে তারা আর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নন, তারা যেন এখন পরস্পরের ‘শত্র“তে’ পরিণত হয়েছেন, একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে যা হওয়ার কোন অবকাশ নেই। কারণ গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায়, বিশেষত সংসদীয় গণতন্ত্রে বিরোধী দলও সরকারের অংশ। আর রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা, মতবিনিময় ও সমঝোতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণই রাজনীতির মূল কথা এবং গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত গ্রহণের কোন বিকল্প নেই। উপরন্তু শুধু দলের সঙ্গে দলেরই নয়, দলের এবং দলের অঙ্গ/সহযোগী সংগঠনের অভ্যন্তরেও, বিশেষত ফায়দাতন্ত্রের কারণে বিশৃংখলা ও সহিংসতা বর্তমানে চরম আকার ধারণ করেছে।
আওয়ামী লীগ সরকারের বদৌলতে সবকিছুর হিসাবেই কেমন যেন তালগোল পাকিয়ে যাওয়ার অবস্থা হয়েছে। প্রথমে অবশ্যই বিএনপিসহ ১৮ দলীয় জোটের ডজন তিনেক নেতাকে জেলের ভাত খাওয়ানোর বিষয়টিকে সামনে আনা দরকার। আনতামও। কিন্তু মাঝখানে আবারও ঝামেলা বাধিয়েছেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। ....
আওয়ামী লীগ সরকারের বদৌলতে সবকিছুর হিসাবেই কেমন যেন তালগোল পাকিয়ে যাওয়ার অবস্থা হয়েছে। প্রথমে অবশ্যই বিএনপিসহ ১৮ দলীয় জোটের ডজন তিনেক নেতাকে জেলের ভাত খাওয়ানোর বিষয়টিকে সামনে আনা দরকার। আনতামও। কিন্তু মাঝখানে আবারও ঝামেলা বাধিয়েছেন সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত। রাজনীতিতে ফিরে আসার ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। বেছে বেছে ঠিক সেই দিনটিতেই ঘোষণা দিয়েছেন ১৮ দলের নেতারা যেদিন নিম্ন আদালতে গিয়েছিলেন জামিনের জন্য। একে কাকতালীয় বা বিচ্ছিন্ন ঘটনা বলার সুযোগ আছে কি না পাঠকরা তা ভেবে দেখতে পারেন। কারণ, প্রধানত বিএনপির নেতা ইলিয়াস আলীর গুমকেন্দ্রিক যে ইস্যুটির জন্য রাজনৈতিক অঙ্গনে সম্প্রতি সংকট ঘনীভূত হয়েছে, হরতালের পর হরতাল এসেছে এবং সবশেষে অন্তত জনা চল্লিশেক নেতাকে কারাগারে ঢুকতে হয়েছে সে ইস্যুর সঙ্গে মিস্টার সেনগুপ্তর নাম জড়িয়ে রয়েছে প্রথম থেকেই।
হরতালের চেয়ে শতগুণ নিরাপদ একটা কৌশলের কথা বিএনপির নেতারা ভেবে দেখতে পারেন। ৩৩ জন নেতাকে সরকার কারাগারে ঢুকিয়েছে, এর প্রতিবাদে, এবং ওই নেতাদের মুক্তির দাবিতে আর হরতাল না ডেকে গণহারে কারাবরণ শুরু করুন। তেত্রিশ কেন, তেত্রিশ হাজার নেতা-কর্মী কারাগারে প্র....
হরতালের চেয়ে শতগুণ নিরাপদ একটা কৌশলের কথা বিএনপির নেতারা ভেবে দেখতে পারেন। ৩৩ জন নেতাকে সরকার কারাগারে ঢুকিয়েছে, এর প্রতিবাদে, এবং ওই নেতাদের মুক্তির দাবিতে আর হরতাল না ডেকে গণহারে কারাবরণ শুরু করুন। তেত্রিশ কেন, তেত্রিশ হাজার নেতা-কর্মী কারাগারে প্রবেশ করুন। সরকারের কারাগারগুলোতে কতজন রাজবন্দীর জায়গা হয়—সেটাই এবার দেখা যাক!
এই তদন্ত ও তদন্ত রিপোর্ট সম্পর্কে বিশিষ্টজনেরা বলেন, এই তদন্ত কমিটি অর্থহীন ও মতাহীন। মন্ত্রীর অধীনস্থ কর্মকর্তারা মন্ত্রীর দুর্নীতি তদন্তের এখতিয়ারই রাখেন না। তদন্ত কমিটির টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন্সে মন্ত্রী দুর্নীতি করেছেন কি না কিংবা মন্ত্রীর বিষয়....
এই তদন্ত ও তদন্ত রিপোর্ট সম্পর্কে বিশিষ্টজনেরা বলেন, এই তদন্ত কমিটি অর্থহীন ও মতাহীন। মন্ত্রীর অধীনস্থ কর্মকর্তারা মন্ত্রীর দুর্নীতি তদন্তের এখতিয়ারই রাখেন না। তদন্ত কমিটির টার্মস অ্যান্ড কন্ডিশন্সে মন্ত্রী দুর্নীতি করেছেন কি না কিংবা মন্ত্রীর বিষয়ে কোনো কিছুর তদন্ত করার এখতিয়ার ছিল না। তাহলে তদন্ত কমিটি কোন বিবেচনায় বলে বসল যে, ওই টাকার সাথে সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের কোনো সম্পর্ক নেই। যা হওয়ার কথা ছিল, তাই হয়েছে। তদন্ত যা-ই হোক, মন্ত্রীর চরিত্র ফুলের মতো পবিত্রÑ এটা বলা ছাড়া কমিটির আর কী-ই বা গত্যন্তর ছিল। এরও বা কিছুটা সুরাহা হতে পারত। কিন্তু সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত আবার যখন দফতরহীনভাবে মন্ত্রিসভায় ঠাঁই পেলেন, তখন নিশ্চয় তদন্ত কর্মকর্তারা সতর্ক হয়ে যান। আজ দফতরবিহীন আছেন, কাল যে আবার রেলওয়েরই মন্ত্রী হবেন না, এমন তো কোনো কথা নেই।
তোমাদের সকলের ভেতরের গুম বা নিখোঁজ জনিত আতঙ্ক ও মনোভাবের প্রতি সম্মান দেখানোটা আমার কর্তব্য। এসো আমরা সবাই পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার দরবারে মোনাজাত করি- যাহাতে মহাবিপদ হইতে তিনি আমাদের পরিত্রাণ করেন। (স্বল্পসংখ্যক শিষ্যসহ গুরু মোনাজাত শেষ করিয়া সকলকে ....
তোমাদের সকলের ভেতরের গুম বা নিখোঁজ জনিত আতঙ্ক ও মনোভাবের প্রতি সম্মান দেখানোটা আমার কর্তব্য। এসো আমরা সবাই পরম করুণাময় সৃষ্টিকর্তার দরবারে মোনাজাত করি- যাহাতে মহাবিপদ হইতে তিনি আমাদের পরিত্রাণ করেন। (স্বল্পসংখ্যক শিষ্যসহ গুরু মোনাজাত শেষ করিয়া সকলকে বিদায় দিয়া পুনরায় গভীর ধ্যানে মগ্ন হইলেন। সম্ভবত তিনি এককভাবেও সৃষ্টিকর্তার কাছে দেশকে মহাবিপদ হইতে রক্ষা করিতে দীর্ঘ জিকির শুরু করিলেন।)
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, ভারতের অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায় ও জাপানের উপ-প্রধানমন্ত্রী কাতসুইয়া ওদাকার বাংলাদেশ সফর এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের নয় কূটনীতিক বাংলাদেশ সম্পর্কে তাদের অবস্থান জানাতে যে সংবাদ সম্মেলন করেন তাতে দেশের রাজনীতিতে এ....
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন, ভারতের অর্থমন্ত্রী প্রণব মুখোপাধ্যায় ও জাপানের উপ-প্রধানমন্ত্রী কাতসুইয়া ওদাকার বাংলাদেশ সফর এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের নয় কূটনীতিক বাংলাদেশ সম্পর্কে তাদের অবস্থান জানাতে যে সংবাদ সম্মেলন করেন তাতে দেশের রাজনীতিতে এক তাৎপর্যময় পরিবর্তনের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। যেসব দেশ থেকে অতিথি এসেছিলেন সেসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক খুবই দৃঢ় এবং আন্তরিকতাপূর্ণ। তারা দ্বিপক্ষীয় বিষয়াদিসহ এ দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে খোলামেলাভাবে কথা বলেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত এইচ ই ড্যান মজিনাও বলেছেন, এ দেশে গণতন্ত্রের পরীক্ষা-নিরীক্ষা কোনো বিশেষ ফল দেবে না। কারণ এ দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া দীর্ঘদিন ধরে বহমান। এ দেশে রাজনৈতিক কোনো সঙ্কট নেই ধরে নিলেও রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের প্রচেষ্টা যে অব্যাহত রয়েছে- সে আশঙ্কাটা উড়িয়ে দেয়া যায় না।
তিনি একজন সরকারি কর্মকর্তা, অথচ মহকুমার রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং পাক বাহিনী সিরাজগঞ্জ দখল করা অবধি তিনি ছিলেন মহকুমার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায় প্রধান সংগঠক...
বিলম্ব হলেও শহীদ এ কে শামসুদ্দিনকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হলো। এ কথা অত্যন্ত দৃ....
তিনি একজন সরকারি কর্মকর্তা, অথচ মহকুমার রাজনৈতিক নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং পাক বাহিনী সিরাজগঞ্জ দখল করা অবধি তিনি ছিলেন মহকুমার মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনায় প্রধান সংগঠক...
বিলম্ব হলেও শহীদ এ কে শামসুদ্দিনকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেওয়া হলো। এ কথা অত্যন্ত দৃঢ়তার সঙ্গে বলা যায় যে, তৎকালীন সিরাজগঞ্জ মহকুমার মুক্তিযুদ্ধের শুরুতে তিনি একক সংগঠক ছিলেন। এ শহর পাকিস্তানি বাহিনীর দখলে চলে যাওয়ার শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আমি তার সঙ্গে ছিলাম।
সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল জেসিসি বা বাংলাদেশ-ভারত যৌথ পরামর্শক কমিশনের প্রথম বৈঠক। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওই বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন। জেসিসি বৈঠক শেষে যে যৌথ বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে চিহ্নিত সীমান্ত ও অপদখলীয় ভূমির নকশা স্বাক্ষরসহ স্থলস....
সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত হয়ে গেল জেসিসি বা বাংলাদেশ-ভারত যৌথ পরামর্শক কমিশনের প্রথম বৈঠক। পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওই বৈঠকে অংশ নিয়েছিলেন। জেসিসি বৈঠক শেষে যে যৌথ বিবৃতিটি প্রকাশ করা হয়েছে, তাতে চিহ্নিত সীমান্ত ও অপদখলীয় ভূমির নকশা স্বাক্ষরসহ স্থলসীমান্ত চুক্তির প্রটোকল দ্রুত বাস্তবায়নে দু’দেশ সম্মত হয়েছে। যৌথ বিবৃতিতে আমার কাছে যে বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে হয়েছে, তা হচ্ছে বন্দি বিনিময় চুক্তি দ্রুত স্বাক্ষরের সিদ্ধান্ত। এর বাইরে সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় সহযোগিতা, ভারত থেকে বিদ্যুৎ আমদানির বিষয়, আশুগঞ্জে ভারতীয় সহায়তায় একটি কনটেইনার টার্মিনাল স্থাপন, বাণিজ্য বৃদ্ধির উদ্যোগ ইত্যাদি যেসব বিষয় স্থান পেয়েছে, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে সেগুলো তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে যে বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ, যেমন তিস্তার পানি বণ্টন চুক্তি, টিপাইমুখ বাঁধ, ছিটমহল বিনিময়, ভারতীয় ১০০ কোটি ডলার ঋণ নিয়ে জটিলতা, সীমান্তে বিএসএফের হত্যাকাণ্ড ইত্যাদির ক্ষেত্রেও কোন সুস্পষ্ট সিদ্ধান্ত আমরা পাইনি।
তবে আমরা এটা জানি রাষ্ট্র কোনো লেখককে চাপ দিয়ে লেখা আদায় করে না। করতে পারে না। লেখার স্বাধীনতা অবশ্যই সমুন্নত থাকবে।
তবে কোনো ধর্ম, গোষ্ঠী, সম্প্রদায়, জাতি, বর্ণের বিরুদ্ধে কিংবা হানাহানি ছড়াতে পারে এমন কোনো লেখাকে বিশ্বসংবিধান সম্মতি দেয় নাÑ ....
তবে আমরা এটা জানি রাষ্ট্র কোনো লেখককে চাপ দিয়ে লেখা আদায় করে না। করতে পারে না। লেখার স্বাধীনতা অবশ্যই সমুন্নত থাকবে।
তবে কোনো ধর্ম, গোষ্ঠী, সম্প্রদায়, জাতি, বর্ণের বিরুদ্ধে কিংবা হানাহানি ছড়াতে পারে এমন কোনো লেখাকে বিশ্বসংবিধান সম্মতি দেয় নাÑ দিতে পারে না। হুমায়ূন আহমেদ রাজনীতি নির্ভর উপন্যাস লিখবেন না তা কেউ বলছে না। কিন্তু বাণিজ্যের জন্য, মুনাফা লাভের জন্য মিথ্যাশ্রিত, বানোয়াট, কল্পিত কথামালা গেঁথে প্রজন্মকে বিভ্রান্ত করবেন, তা কোনো মানুষই মেনে নেবে না।
আগে আরেকবার তাঁরা শিক্ষায়তনগুলো বন্ধ করে দিয়েছিলেন। সামনে যদি স্কুলগুলো আবারও বন্ধ হয়, তাহলে প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থীর অবস্থা কী হবে? এই এক লাখ শিক্ষার্থীর শিক্ষার সুযোগ বন্ধ করে দিয়ে কিংবা সুযোগ হ্রাস করে দিয়ে কি ২০১৪ সালের মধ্যে নিরক্ষরমুক্ত বাংলাদে....
আগে আরেকবার তাঁরা শিক্ষায়তনগুলো বন্ধ করে দিয়েছিলেন। সামনে যদি স্কুলগুলো আবারও বন্ধ হয়, তাহলে প্রায় এক লাখ শিক্ষার্থীর অবস্থা কী হবে? এই এক লাখ শিক্ষার্থীর শিক্ষার সুযোগ বন্ধ করে দিয়ে কিংবা সুযোগ হ্রাস করে দিয়ে কি ২০১৪ সালের মধ্যে নিরক্ষরমুক্ত বাংলাদেশ বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে? সুতরাং শুধু শিক্ষকের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার জন্যই নয়, বরং শিক্ষা সম্প্রসারণের জন্যও বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রতি সুদৃষ্টি দেওয়া উচিত। একই সঙ্গে শিক্ষকদের এভাবে নাজেহাল করার বিষয়টিও তদন্ত করে দোষীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নিতে হবে। মুখে নয়, কাজেও মর্যাদা দিতে হবে শিক্ষকদের।
এ লেখা লিখছি ১৭ মে ২০১২ বাংলাদেশের ৭৭ ভাগ (গ্যালাপ পুল) মানুষের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনার ৩২তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দিনটিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য এ মুহূর্তে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেল....
এ লেখা লিখছি ১৭ মে ২০১২ বাংলাদেশের ৭৭ ভাগ (গ্যালাপ পুল) মানুষের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরতœ শেখ হাসিনার ৩২তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দিনটিকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার জন্য এ মুহূর্তে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে তাঁকে সংবর্ধনা জানাচ্ছে। এই সংবর্ধনায় আরও একটি ব্যাপার যোগ করেছে ছাত্ররা তা হলো ‘সমুদ্র বিজয়।’ একাত্তরের মতো না হলেও এটিও একটি বড় বিজয়। এক লাখ ১১ হাজার বর্গকিলোমিটার সমুদ্র অঞ্চল এবং এর বাইরেও মহীসোপানের পরে গভীর সমুদ্রে আমাদের সার্বভৌম অধিকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এ কেবল পানি নয়, এর মধ্যে রয়েছে তেল, গ্যাস এবং মাছসহ সবার সম্পদরাজি।
কলকাতা গিয়ে কখনো খুঁজে ফিরি কাজী সব্যসাচী, কাজী অনিরুদ্ধ, সতীনাথ, আলপনা, হেমন্ত, শ্যামল, আঙ্গুরবালা, কৃষ্ণচন্দ্র দে। ওঁরা এই শহরে এখন থাকেন না, চলে গেছেন অন্য কোনো ঠিকানায়। ঢাকায় এসে পঙ্কজ কুমার মল্লিক প্রথমেই ছুটে এসেছেন পিতা আব্বাসউদ্দিনকে দেখতে। দ....
কলকাতা গিয়ে কখনো খুঁজে ফিরি কাজী সব্যসাচী, কাজী অনিরুদ্ধ, সতীনাথ, আলপনা, হেমন্ত, শ্যামল, আঙ্গুরবালা, কৃষ্ণচন্দ্র দে। ওঁরা এই শহরে এখন থাকেন না, চলে গেছেন অন্য কোনো ঠিকানায়। ঢাকায় এসে পঙ্কজ কুমার মল্লিক প্রথমেই ছুটে এসেছেন পিতা আব্বাসউদ্দিনকে দেখতে। দুজনের সংলাপ ভুলিনি। পঙ্কজ মল্লিক বললেন, ‘সারা কলকাতা এখনো আপনার কথাই বলে। আপনি অসুস্থ, তাই আপনাকেই প্রথমে দেখতে এলাম।’ যাঁরা কিছু লেখেন বা গান করেন, তাঁদের কাছে এই মিলন যে কত আনন্দের তা ভাষায় বোঝানো যাবে না।
মানুষের আত্দা হলো আকাশ থেকেও বৃহত্তর। মহাসমুদ্র অথবা অন্তহীন অন্ধকার গভীর কেন্দ্র থেকেও গভীরতর। তাই উদারতায় মানুষ এত বিশাল। ভবিষ্যৎ দর্শনে এত পারঙ্গম। সৃজনশীলতায় এত কৃতবিদ্য। সিদ্ধান্ত গ্রহণে এত দক্ষ। ব্যক্তি হিসেবে হতে পারেন সংকীর্ণ, কৃপণ, হিংসুটে....
মানুষের আত্দা হলো আকাশ থেকেও বৃহত্তর। মহাসমুদ্র অথবা অন্তহীন অন্ধকার গভীর কেন্দ্র থেকেও গভীরতর। তাই উদারতায় মানুষ এত বিশাল। ভবিষ্যৎ দর্শনে এত পারঙ্গম। সৃজনশীলতায় এত কৃতবিদ্য। সিদ্ধান্ত গ্রহণে এত দক্ষ। ব্যক্তি হিসেবে হতে পারেন সংকীর্ণ, কৃপণ, হিংসুটে; কিন্তু সামাজিক প্রাণী হিসেবে যুগ যুগ ধরে একসঙ্গে বাস করে অথবা বাস করতে হবে জেনে সেই সংকীর্ণতা পরিহার করতে, কার্পণ্য বা হিংসুটেপনা ত্যাগ করতে মানুষই পারে। মনুষ্যত্বের ধর্মই এই। মনোজ সৃষ্টি তাই আকাশের মতো উদার হয়। সর্বকল্যাণের উপযোগী হতে তাই এত গভীর হয়। এ কারণেই যোগ্য নেতৃত্বের মানুষ হয় আকাশের মতো প্রসারিত। এ জন্যই যোগ্য নেতৃত্বের সিদ্ধান্ত হয় যুগান্তকারী, সদর্থক, কল্যাণময়।
দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশ মায়ানমারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইতিবাচক পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে। গণতান্ত্রিক এবং পশ্চিমা বিশ্বের নেতৃবৃন্দ দেশটি সফর করছেন এবং এসব প্রশংসনীয় উদ্যোগ উৎসাহিত করছেন। তারা মায়ানমারের শাসকগোষ্ঠীকে আকাক্সিক্ষত সংস্কার আরো প্র....
দক্ষিণ-পূর্ব এশীয় দেশ মায়ানমারে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইতিবাচক পদক্ষেপ অব্যাহত রয়েছে। গণতান্ত্রিক এবং পশ্চিমা বিশ্বের নেতৃবৃন্দ দেশটি সফর করছেন এবং এসব প্রশংসনীয় উদ্যোগ উৎসাহিত করছেন। তারা মায়ানমারের শাসকগোষ্ঠীকে আকাক্সিক্ষত সংস্কার আরো প্রসারিত করার আহ্বান জানাচ্ছেন। কিছুদিন পূর্বে জাতিসংঘের মহাসচিব বান কি মুন দেশটি সফর করে সরকার এবং বিরোধীদলীয় নেতা অং সান সুচির সঙ্গে কথাবার্তা বলে বর্তমানের ধারাকে সাধুবাদ জানিয়েছেন। এর পূর্বে ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রধান বৈদেশিক নীতিনির্ধারক ক্যাথেরিন অ্যাস্টন মায়ানমারে গিয়ে সংস্কারকে অভিনন্দিত করেছেন এবং একই সঙ্গে আরো ইতিবাচক পদক্ষেপের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন। দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট হলেন সর্বশেষ বিদেশী অতিথি, যিনি দেশটি সফর করলেন।
আবারও সকাল-সন্ধ্যা হরতাল। গত বৃহস্পতিবার সকাল-সন্ধ্যা এই হরতাল ডেকেছিল বিএনপি জোটভুক্ত দলগুলো। তবে বলা ভাল, বিএনপি-জামায়াতের বাইরের দলগুলো তো প্রায় অস্তিত্বহীন। নামকাওয়াস্তে রাজনৈতিক দল। দু’একটা ছাড়া বাকিগুলোর কোন অফিস নেই, রেজিস্ট্রেশন নেই। সেগু....
আবারও সকাল-সন্ধ্যা হরতাল। গত বৃহস্পতিবার সকাল-সন্ধ্যা এই হরতাল ডেকেছিল বিএনপি জোটভুক্ত দলগুলো। তবে বলা ভাল, বিএনপি-জামায়াতের বাইরের দলগুলো তো প্রায় অস্তিত্বহীন। নামকাওয়াস্তে রাজনৈতিক দল। দু’একটা ছাড়া বাকিগুলোর কোন অফিস নেই, রেজিস্ট্রেশন নেই। সেগুলো নিহায়তই দু’চারজনের রাজনৈতিক দল। সেই হিসেবে গত বৃহস্পতিবার সকাল-সন্ধ্যা হরতাল ডেকেছিল বিএনপি ও জামায়াত, সেটা বলাই ভাল।
আগামী ২৩ মে বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্সসহ ছয় পরাশক্তিধর দেশগুলো ইরানের সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ব্যাপারে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে এক চূড়ান্ত বৈঠকে বসতে যাচ্ছে। ইতিপূর্বে ‘পক্ষ বৃহত্ শক্তি+এক’ রাষ্ট্রসমূহ গত ১৪ এপ্রিল ইস্তাম্বুলে অনুরূ....
আগামী ২৩ মে বাগদাদে যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ফ্রান্সসহ ছয় পরাশক্তিধর দেশগুলো ইরানের সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচির ব্যাপারে সৃষ্ট জটিলতা নিরসনে এক চূড়ান্ত বৈঠকে বসতে যাচ্ছে। ইতিপূর্বে ‘পক্ষ বৃহত্ শক্তি+এক’ রাষ্ট্রসমূহ গত ১৪ এপ্রিল ইস্তাম্বুলে অনুরূপ এক বৈঠকে আলোচনা শেষে বাগদাদ বৈঠকের দিনক্ষণ ঠিক করেন। ইস্তাম্বুল বৈঠকের পূর্বে ইরানের উপর আরোপিত পাশ্চাত্য নিষেধাজ্ঞা আরো কঠোরতর করা হয়। এ প্রেক্ষিতে সংগত প্রশ্ন হলো: পাশ্চাত্য নিষেধাজ্ঞা আদৌ কার্যকর হবে কি না? বাগদাদ বৈঠকই বা কতটুকু সাফল্য বয়ে আনবে?
হরতাল গণতান্ত্রিক অধিকার। যে দলই বিরোধী অবস্থানে থাকুক তাদের নিজেদের স্বার্থে হরতাল গণতান্ত্রিক অধিকার। কারণ হরতাল আহ্বান করেই তাদের যৌক্তিক-অযৌক্তিক সব দাবি আদায় করার সুযোগ লাভ করা যায়। আমাদের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ আইন করে হরতাল বন্ধের দাবি উত্থাপন ....
হরতাল গণতান্ত্রিক অধিকার। যে দলই বিরোধী অবস্থানে থাকুক তাদের নিজেদের স্বার্থে হরতাল গণতান্ত্রিক অধিকার। কারণ হরতাল আহ্বান করেই তাদের যৌক্তিক-অযৌক্তিক সব দাবি আদায় করার সুযোগ লাভ করা যায়। আমাদের ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ আইন করে হরতাল বন্ধের দাবি উত্থাপন করেছেন। কিন্তু বিরোধী দল সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করে তাদের ঘোষিত দাবি-দাওয়া ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দকে আদায় করে দেয়ার জন্য অনুরোধ করেছে। ব্যবসায়ীরা যদি এত প্রচ- চাপ প্রয়োগের ক্ষমতা রাখেন, তাহলে চাপ প্রয়োগ করে তারাই তো ক্ষমতাসীনদের হটিয়ে সরকারী যন্ত্র দখল করে নিতে পারেন। তাহলে তারা বিরোধীদের দাবির পক্ষে চাপ প্রয়োগ করতে যাবেন কোন দুঃখে। আর যদি তারা সরকার দখল করতে নাই পারে অথবা কোন কারণে অসংগঠিত ও অনাগ্রহী হয় তাহলে বিরোধীদের পক্ষে ক্যানভাসারের কাজ না করে ব্যবসায়ীদের জন্য সর্বপ্রকারের আর্থিক সুবিধা সর্বাধিক হারে আদায় করার সুযোগতো নিতে পারে। মজার ব্যাপার এটাই যে, বিরোধীদের সুরের সঙ্গে সুর মিলিয়ে সরকারী দল থেকেও বলা হচ্ছে হরতাল গণতান্ত্রিক অধিকার।
আর এভাবেই পাহাড়ি ছড়ার (ঝরনা) পানি শিশু সুজাতা চাকমার রক্তে ভাসে আর মরিয়ম মুর্মুরা লাশ হয়ে গাছে ঝোলে। আর কত দিন এগুলো শুধুই ‘আদিবাসী’ বিষয় মনে করা হবে? দূরত্ব বজায় রেখে এগুলো এড়িয়ে যাওয়া হবে? আর কত দিন আমরা এই ভয়ংকর নির্যাতনের ছবি দেখে চোখমুখ ঢাকব? আর....
আর এভাবেই পাহাড়ি ছড়ার (ঝরনা) পানি শিশু সুজাতা চাকমার রক্তে ভাসে আর মরিয়ম মুর্মুরা লাশ হয়ে গাছে ঝোলে। আর কত দিন এগুলো শুধুই ‘আদিবাসী’ বিষয় মনে করা হবে? দূরত্ব বজায় রেখে এগুলো এড়িয়ে যাওয়া হবে? আর কত দিন আমরা এই ভয়ংকর নির্যাতনের ছবি দেখে চোখমুখ ঢাকব? আর কত দিন আমরা সুজাতা চাকমা, মরিয়ম মুর্মুর কিংবা সুনিকা চাকমার ওপর নিপীড়নকে আমাদের নিপীড়নের অংশ নয় বলে হজম করে যাব?
বেকারত্ব নিরসনে দেশে এমন একটি অর্থনৈতিক অবস্থা সৃষ্টি করা দরকার যাতে উৎপাদনশীল খাতে, ক্ষুদ্র-মাঝারি এবং বৃহৎ বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়। শিল্প-কারখানা বৃদ্ধির ফলে কাজের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। শিল্পে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যেসব অন্তরায় ও সীমাবদ্ধতা নীতি-নিয়মের সংস্কা....
বেকারত্ব নিরসনে দেশে এমন একটি অর্থনৈতিক অবস্থা সৃষ্টি করা দরকার যাতে উৎপাদনশীল খাতে, ক্ষুদ্র-মাঝারি এবং বৃহৎ বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়। শিল্প-কারখানা বৃদ্ধির ফলে কাজের সুযোগ বৃদ্ধি পাবে। শিল্পে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে যেসব অন্তরায় ও সীমাবদ্ধতা নীতি-নিয়মের সংস্কার করা প্রয়োজন। মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে কর্মমুখী শিক্ষাকে প্রাধান্য দেয়া উচিত। নানা ধরনের প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে, যাতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে ওঠে। আমাদের দেশে এমন প্রতিষ্ঠানও গড়ে উঠেছে যারা প্রাতিষ্ঠানিক সমপ্রসারণের ধারাবাহিকতায় ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করছে। এসব প্রতিষ্ঠানকে কাজের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি, পরামর্শ এবং সহায়তার মাধ্যমে বেকার সমস্যা সমাধানে ফলপ্রসূ উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্ভব।
তৃষিত তাপিত সকরুণ চিত্তে মেঘবিহীন আকাশের দিকে তাকিয়ে আকুতি জানায় পাপিয়া, শালিক, দোয়েল, ফিঙে, বুলবুলি, সারস, টিয়া এবং মানবহূদয়। ছবিতে দেখলাম পুরনো একটি পাইপ থেকে ফোঁটা ফোঁটা ঝরে পড়া পানি আকণ্ঠ চিত্তে গ্রহণ করছে একটি সাদা-কালো রঙের শালিক। মেঘ এব....
তৃষিত তাপিত সকরুণ চিত্তে মেঘবিহীন আকাশের দিকে তাকিয়ে আকুতি জানায় পাপিয়া, শালিক, দোয়েল, ফিঙে, বুলবুলি, সারস, টিয়া এবং মানবহূদয়। ছবিতে দেখলাম পুরনো একটি পাইপ থেকে ফোঁটা ফোঁটা ঝরে পড়া পানি আকণ্ঠ চিত্তে গ্রহণ করছে একটি সাদা-কালো রঙের শালিক। মেঘ এবং বৃষ্টি আমাদের জীবনের পরম আরাধ্য। বেশি করে সেই বোধ জাগ্রত হয় চৈত্র-বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসের রোদ্রদগ্ধ পৃথিবীতে।
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখালেখির শুরুটা চমকপ্রদ। একবার তিনি বন্ধুদের সাথে কলেজ ক্যান্টিনে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। তখন তিনি এক বন্ধুর সাথে বাজি ধরেন তিনি তার লেখা গল্প বিচিত্রায় ছাপাবেন। সে সময়ে বিচিত্রা ছিল অত্যন্ত বিখ্যাত এবং কেবল নামকরা লেখকেরাই তাতে....
মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখালেখির শুরুটা চমকপ্রদ। একবার তিনি বন্ধুদের সাথে কলেজ ক্যান্টিনে বসে আড্ডা দিচ্ছিলেন। তখন তিনি এক বন্ধুর সাথে বাজি ধরেন তিনি তার লেখা গল্প বিচিত্রায় ছাপাবেন। সে সময়ে বিচিত্রা ছিল অত্যন্ত বিখ্যাত এবং কেবল নামকরা লেখকেরাই তাতে লিখতেন। বন্ধুর সাথে বাজি ধরে মানিক লিখে ফেললেন তার প্রথম গল্পটি এবং সেটি বিচিত্রার সম্পাদক বরাবর পাঠিয়ে দেন। গল্পের শেষে নাম স্বাক্ষর করেন মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় হিসেবে। চার মাস পর বিচিত্রায় ছাপা হয়ে যায় মানিকের প্রথম গল্প অতসী মামী।
আমাদের দেশের কৃষক সমাজ শুধুমাত্র দরিদ্র নয়, অসহায় এবং মানবেতর জীবন যাপনে বাধ্য থাকে। কৃষি কাজ করেন বলেই তারা কৃষক। দেখা গেছে, প্রকৃত কৃষকরা ভূমিহীন অথবা সামান্য জমির মালিক। জমির মালিকদের জমিতে কৃষিকাজ করে তারা বর্তমানে দিনমজুর বা ক্ষেতমজুর নামেও পর....
আমাদের দেশের কৃষক সমাজ শুধুমাত্র দরিদ্র নয়, অসহায় এবং মানবেতর জীবন যাপনে বাধ্য থাকে। কৃষি কাজ করেন বলেই তারা কৃষক। দেখা গেছে, প্রকৃত কৃষকরা ভূমিহীন অথবা সামান্য জমির মালিক। জমির মালিকদের জমিতে কৃষিকাজ করে তারা বর্তমানে দিনমজুর বা ক্ষেতমজুর নামেও পরিচিত। আর জমি যার সে হয় জমিদার। একসময় জমিদারী চাল-চলনই ছিল আয়েশী, অমিতব্যয়ী, কৃষক ঠকানো, জোর করে খাজনা আদায়। সাধারণ মানুষেরও জমি থাকে কিন্তু সেগুলোও চাষ করে ঐ কৃষক। কেননা সে কৃষিকাজ জানে এবং শ্রম দিতে পারে। বর্তমানে জমির মালিকরা তো শহর-রাজধানীতে বসবাস করে, ব্যবসা করে বা চাকরি করে। কৃষকই দায়িত্ব নেয় তার জমি রক্ষণাবেক্ষণ এবং ফসল উত্পাদনের।
আজকাল জীবনযাত্রার যান্ত্রিকীকরণের কারণে মানুষ আর ব্যাংকে যেতে চায় না। টাকার প্রয়োজন হলে এটিএম বুথে ছুটে যান। কিন্তু যারা এটিএম মেশিন বা ক্যাশ মেশিন থেকে টাকা তুলতে অভ্যস্ত তাদের জন্য দুঃসংবাদ দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞগণ। গবেষকদের নতুন পরীক্ষায....
আজকাল জীবনযাত্রার যান্ত্রিকীকরণের কারণে মানুষ আর ব্যাংকে যেতে চায় না। টাকার প্রয়োজন হলে এটিএম বুথে ছুটে যান। কিন্তু যারা এটিএম মেশিন বা ক্যাশ মেশিন থেকে টাকা তুলতে অভ্যস্ত তাদের জন্য দুঃসংবাদ দিয়েছেন যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞগণ। গবেষকদের নতুন পরীক্ষায় দেখা গেছে ক্যাশ মেশিন বা এটিএম মেশিন পাবলিক টয়লেটের মত অস্বাস্থ্যকর। কারণ এটিএম বুথের ক্যাশ মেশিনে পাবলিক টয়লেটের মত ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গেছে। এসব ব্যাকটেরিয়া থেকে ডায়রিয়াসহ অন্যান্য রোগ সংক্রমিত হতে পারে। যুক্তরাজ্যের বিশেষজ্ঞগণ বিভিন্ন এটিএম মেশিনের কিপ্যাড ও পাবলিক টয়লেটের বসার সিটের ওপরের সংগৃহীত নমুনা পরীক্ষা করেন (সোয়াব টেস্ট)। এতে দেখা যায় এটিএম মেশিনের কিপ্যাড ও পাবলিক টয়লেটের সিটের নমুনায় স্যুডোমোনাস ও ব্যাসিলাস নামক ব্যাকটেরিয়ার অস্তিত্ব পাওয়া যায়।
সে বছর মার্চ মাসে অস্বাভাবিক গরম পড়েছিল। আকাশ থেকে রোদের বদলে আগুন ঝরছে। গাছের কোনো পাতাই নড়ছে না। আসন্ন দুর্যোগে ঝিঁঝিপোকা দিনের বেলা ডাকে। এখন তা-ই ডাকছে।
প্রচণ্ড গরমে কালো পোশাক পরা আর্টিলারির প্রধান মেজর ফারুক খুব ঘামছেন। গায়ের কালো শার....
সে বছর মার্চ মাসে অস্বাভাবিক গরম পড়েছিল। আকাশ থেকে রোদের বদলে আগুন ঝরছে। গাছের কোনো পাতাই নড়ছে না। আসন্ন দুর্যোগে ঝিঁঝিপোকা দিনের বেলা ডাকে। এখন তা-ই ডাকছে।
প্রচণ্ড গরমে কালো পোশাক পরা আর্টিলারির প্রধান মেজর ফারুক খুব ঘামছেন। গায়ের কালো শার্ট ভিজে উঠেছে। তিনি আকাশের দিকে তাকালেন। আকাশ মেঘে ঢাকা। গত কয়েক দিন ধরেই আকাশ মেঘাচ্ছন্ন, কিন্তু বৃষ্টি হচ্ছে না। মেঘের কারণেই গরম বাড়ছে। গ্রিনহাউস ইফেক্ট! একসময় নাকি পৃথিবীর গরম বাড়তে বাড়তে এমন হবে যে মানুষ ও পশুপাখির বাসের অযোগ্য হবে। ফারুকের মনে হচ্ছে, সেই দিন বেশি দূর না।
আমাদের সতর্ক হওয়া উচিৎ। প্রবীর ভৌমিকের এথিকসের দৃষ্টিভঙ্গি যা-ই হোক না কেন, আমি কিন্তু শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের উদ্ধৃতি টেনে বলতে চাই- বিনয় যে কোনো বিষয় নিয়ে সার্থক কবিতা লিখতে পারে। আসলে শক্তির এই কথার চমৎকার প্রতিফলন আমরা দেখতে পাই বিনয়ের ভুট্টা....
আমাদের সতর্ক হওয়া উচিৎ। প্রবীর ভৌমিকের এথিকসের দৃষ্টিভঙ্গি যা-ই হোক না কেন, আমি কিন্তু শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের উদ্ধৃতি টেনে বলতে চাই- বিনয় যে কোনো বিষয় নিয়ে সার্থক কবিতা লিখতে পারে। আসলে শক্তির এই কথার চমৎকার প্রতিফলন আমরা দেখতে পাই বিনয়ের ভুট্টাসিরিজ কবিতাগুলোর মধ্যে। কবিতাগুলো সুখপাঠ্য এবং কবিতা হয়ে উঠেছে- এ কথাকে অস্বীকার করা আত্মপ্রবঞ্চনা হবে বৈকি। পাশাপাশি বলতে দ্বিধা করি না যে, এগুলো বিনয়ের কোনো মহৎ কবিতা নয়। রণজিৎ দাশ লিখেছেন- আর দশজন আধুনিকের মতো বিনয়ও হেঁটেছেন বোদলেয়ার নির্দেশিত এই স্বপ্ন-সম্ভব (গধহ বিহফং যরং ধিু ঃযৎড়ঁময ভড়ৎবংঃং ড়ভ ংুসনড়ষং) পথেই, কিন্তু পেঁৗছেছেন এক ভিন্ন গন্তব্যে। তবে বিশ্বকবিতার পরিপ্রেক্ষিতে ফার্নান্দো পাসোয়ার মতো বিনয়ের কবিতাও তাঁর আত্মজীবনীরই অংশ। জন্ম ও মৃত্যুর মাঝখানে ৭৩ বছরের যে জীবন, তা জীবাশ্ম হয়ে আছে তাঁর কবিতার ভাঁজে ভাঁজে।
শুধু কবিতার লেখার ক্ষেত্রেই নয়, সর্বত্রই কাদম্বরী দেবী হয়ে উঠেছিলেন কবির অনুশাসন ও সোহাগের একচ্ছত্র সম্রাজ্ঞী। রবীন্দ্রনাথ প্রতিদানে সন্ধ্যা-সঙ্গীত, ভানুসিং ঠাকুরের পদাবলী, বিবিধ প্রসঙ্গ, ছবিও গান, ভগ্নহৃদয়, বউ ঠাকুরানীর হাট, পুষ্পাঞ্জলি প্রভৃতি ক....
শুধু কবিতার লেখার ক্ষেত্রেই নয়, সর্বত্রই কাদম্বরী দেবী হয়ে উঠেছিলেন কবির অনুশাসন ও সোহাগের একচ্ছত্র সম্রাজ্ঞী। রবীন্দ্রনাথ প্রতিদানে সন্ধ্যা-সঙ্গীত, ভানুসিং ঠাকুরের পদাবলী, বিবিধ প্রসঙ্গ, ছবিও গান, ভগ্নহৃদয়, বউ ঠাকুরানীর হাট, পুষ্পাঞ্জলি প্রভৃতি কাব্যগ্রন্থ তাঁকে উৎসর্গ করেন। চিত্রাদেব লিখেছেন: 'কাদম্বরীকে নিয়ে এত বেশি আলোচনা হয়েছে যে, ...এই আলোচনা সমালোচনার কারণ রবীন্দ্রনাথ। কিশোর রবীন্দ্রনাথের মনোগঠনে কাদম্বরীর দান অসামান্য। তাঁর অকালমৃত্যু রবীন্দ্র মানসে গভীর ছাপ রেখে যায়। এ কথা কবি নিজেই অসংখ্য কবিতায় ও গানের মধ্যে প্রকাশ করেছেন। সুতরাং যারা তাঁদের নিয়ে অনেক কল্পনা ও কষ্ট কল্পনা করেন তাদের সুযোগ করে দিয়েছেন স্বয়ং রবীন্দ্রনাথ এ কথা বললে খুব ভুল হবে না।
আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) পুরস্কার পেয়েছেন তিন নারী। তাঁরা হলেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট ক্রিসতিনা ফার্নান্দেজ, শীর্ষ মোবাইল ও আইসিটি অবকাঠামো সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের চেয়ারম্যান সুন ইয়াফাং এবং ইনস্টিটিউট অব জেন্ডার ইন মিডিয....
আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ ইউনিয়নের (আইটিইউ) পুরস্কার পেয়েছেন তিন নারী। তাঁরা হলেন আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট ক্রিসতিনা ফার্নান্দেজ, শীর্ষ মোবাইল ও আইসিটি অবকাঠামো সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান হুয়াওয়ের চেয়ারম্যান সুন ইয়াফাং এবং ইনস্টিটিউট অব জেন্ডার ইন মিডিয়ার প্রতিষ্ঠাতা গিনা দাভিস। বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস উপলক্ষে গতকাল বৃহস্পতিবার জেনেভায় আইটিইউর সেক্রেটারি জেনারেল হামদুন আই তুরে তাঁদের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেন।
জোশেফ ও’কনেলের অনেক পরিচয়। জন্ম বোস্টনে, পড়াশোনা করেছেন হার্ভাডে। মূলত আইরিশ-আমেরিকান থেকে আমেরিকান-ক্যানাডিয়ান হন। আর তিনি মানসিকভাবে অনেকটা ‘কানাডিয়ান-বাঙালি’ বলেই বাঙালিদের অকৃত্রিম বন্ধু ছিলেন। কারণ, বাঙালি ও বাংলার সাথে ছিলো তাঁর আত্মিক সম্প....
জোশেফ ও’কনেলের অনেক পরিচয়। জন্ম বোস্টনে, পড়াশোনা করেছেন হার্ভাডে। মূলত আইরিশ-আমেরিকান থেকে আমেরিকান-ক্যানাডিয়ান হন। আর তিনি মানসিকভাবে অনেকটা ‘কানাডিয়ান-বাঙালি’ বলেই বাঙালিদের অকৃত্রিম বন্ধু ছিলেন। কারণ, বাঙালি ও বাংলার সাথে ছিলো তাঁর আত্মিক সম্পর্ক। বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে আবির্ভূত হওয়ার অনেক আগ থেকেই বাংলার সঙ্গে তাঁঁর যোগাযোগ। ১৯৭২/৭৩-এ বরিশালে ছিলেন। সেই সময় বাংলাদেশের মুসলিম লেখকদের রচনা নিয়ে কাজ করতে গিয়ে নজরুলের প্রতি আগ্রহী হন। তখনই বাংলা ভাষার প্রতি আকৃষ্ট হন এবং তিনি এবং তাঁর স্ত্রী ক্যাথলিন ও’কনেল বাংলা শেখেন; প্রথমে ১৯৬৫ সালে কালকাতায় পরে বরিশাল Oriental Institute-এ। শুধু বাংলা শিখেই ক্ষান্ত হননি। বৈষ্ণব ধর্ম বিষয়ে হার্ভার্ড থেকে পিএইচডি করেছেন যোশেফ ও’কনেল।
আজ করব, কাল করব, সকালে করব, বিকালে করব—এই করি করি করে আর করা হয় না। আর করা হলেও হয় শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়ো করে। ধীরেসুস্থে ভালোভাবে করার জন্যে কাজটি রেখে দিলেও শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়ো করে করতে গিয়ে দেখা যায় যে, দায়সারাভাবে কাজটি শেষ করা হয়েছে। ....
আজ করব, কাল করব, সকালে করব, বিকালে করব—এই করি করি করে আর করা হয় না। আর করা হলেও হয় শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়ো করে। ধীরেসুস্থে ভালোভাবে করার জন্যে কাজটি রেখে দিলেও শেষ মুহূর্তে তাড়াহুড়ো করে করতে গিয়ে দেখা যায় যে, দায়সারাভাবে কাজটি শেষ করা হয়েছে। তারুণ্যের মাঝে এই প্রবণতাটি বর্তমানে প্রখর। অথচ একটু সচেষ্ট হলেই এই অলসতা আমরা কাটিয়ে উঠতে পারি। জীবনকে করে তুলতে পারি আরও সফল আরও আনন্দময়। আমাদের এই আলসেমি ও তা কাটিয়ে ওঠার উপায় নিয়ে আমাদের এবারের আয়োজনে লিখেছেন রিয়াদ খন্দকার ও ছবি তুলেছেন দীপঙ্কর দীপু
কালের মানুষ অকালে চলে গেলেন। আমাদের সবাইকে স্মম্ভিত করে দিয়ে কার্লোস ফুয়েন্তেস দুনিয়া থেকে বিদায় নিলেন মাত্র ৮৩ বছর বয়সে। তাঁর মতো তেজস্বী একজন ব্যক্তির জন্য এ আর এমন কি বয়স। মাত্র সপ্তাহ কয়েক আগে লিখে শেষ করেছেন নতুন একটি উপন্যাস 'ফেদেরিকো এল....
কালের মানুষ অকালে চলে গেলেন। আমাদের সবাইকে স্মম্ভিত করে দিয়ে কার্লোস ফুয়েন্তেস দুনিয়া থেকে বিদায় নিলেন মাত্র ৮৩ বছর বয়সে। তাঁর মতো তেজস্বী একজন ব্যক্তির জন্য এ আর এমন কি বয়স। মাত্র সপ্তাহ কয়েক আগে লিখে শেষ করেছেন নতুন একটি উপন্যাস 'ফেদেরিকো এল সু বলেকোন', যার উপজীব্য দার্শনিক ফেডেরিশ নীৎসে। প্রায় কুড়িটির মতো উপন্যাস রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। আর একটি নতুন উপন্যাস লেখার (যার নাম 'এল বাইলে দেল সেন্তেনারিয়ো') পরিকল্পনা করছিলেন। ৮৩ বছরের বর্ণাঢ্য জীবনে অনেক চড়াই-উৎরাইয়ের মধ্য দিয়ে গেছেন বিশেষ করে ব্যক্তিগত জীবনে
আজ শুক্রবার বাংলা পঞ্জিকার হিসেবে ১৪১৯ বঙ্গাব্দের ৪ জ্যৈষ্ঠ। আগামী ১১ জ্যৈষ্ঠ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৩তম জন্মজয়ন্তী। এদিকে এ বছরই পূর্ণ হলো কবির কালজয়ী বিদ্রোহী কবিতার ৯০ বছর। আর এই দুই উপলক্ষ সামনে রেখে দুই দিনব্যাপী যৌথ অনুষ্ঠানের উদ্যোগ....
আজ শুক্রবার বাংলা পঞ্জিকার হিসেবে ১৪১৯ বঙ্গাব্দের ৪ জ্যৈষ্ঠ। আগামী ১১ জ্যৈষ্ঠ জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১১৩তম জন্মজয়ন্তী। এদিকে এ বছরই পূর্ণ হলো কবির কালজয়ী বিদ্রোহী কবিতার ৯০ বছর। আর এই দুই উপলক্ষ সামনে রেখে দুই দিনব্যাপী যৌথ অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নিয়েছে বাংলাদেশ ও ভারত সরকার। আগামী ২৫ মে দু’দিনের এ অনুষ্ঠানমালার সূচনা হবে রাজধানী ঢাকায়। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্ণাঢ্য এ অনুষ্ঠানে ভারতের পক্ষে উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় সরকারের আইন ও বিচার এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায় বিষয়ক মন্ত্রী সালমান খুরশিদ। নজরুল ইনস্টিটিউটের সহযোগিতায় অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়।
আবুল ফজল তাঁর এক প্রবন্ধে নজরুল ইসলাম ও জয়নুল আবেদীনের পর বুলবুল চৌধুরীকে আমাদের ‘তৃতীয় প্রতিভা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁর মতে, ‘নিন্দিত ও নিষিদ্ধ’ নৃত্যশিল্পকে আমাদের সমাজে বুলবুলই প্রথম ‘জাতে তুলেছেন’। এর আগে বাঙালি মুসলমান সমাজে নাচের চর্চা ছিল....
আবুল ফজল তাঁর এক প্রবন্ধে নজরুল ইসলাম ও জয়নুল আবেদীনের পর বুলবুল চৌধুরীকে আমাদের ‘তৃতীয় প্রতিভা’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। তাঁর মতে, ‘নিন্দিত ও নিষিদ্ধ’ নৃত্যশিল্পকে আমাদের সমাজে বুলবুলই প্রথম ‘জাতে তুলেছেন’। এর আগে বাঙালি মুসলমান সমাজে নাচের চর্চা ছিল না বললেই যথেষ্ট হবে না; তা ছিল একরকম নাজায়েজ বিষয়। এ রকম একটি সামাজিক পরিমণ্ডলে বুলবুল কেবল শিল্প হিসেবে নাচের প্রবর্তনই করেননি, আপন অঘটনঘটনপটিয়সী প্রতিভা এবং একলব্য সাধনাবলে তাকে উৎকর্ষের এমন এক স্তরে পৌঁছে দিয়েছেন, যেখানে তাঁর সাফল্যকে আজ পর্যন্ত কেউ অতিক্রম করতে পারেনি। হিন্দু-মুসলমাননির্বিশেষে বাঙালি সমাজে নৃত্যশিল্পী হিসেবে উদয় শঙ্করের পরই তাঁর নামটি উচ্চার্য, যদিও উদয় শঙ্করের পারিবারিক-সাংস্কৃতিক পটভূমি বুলবুলের ছিল না, নাচের কোনো প্রাতিষ্ঠানিক বা পদ্ধতিগত শিক্ষালাভের সুযোগও তাঁর ঘটেনি। বেঁচেছিলেনও তিনি মাত্র ৩৫ বছর।
তখন সকাল সাড়ে আটটা। গাছ আর ঘাসে ভরা সবুজ প্রকৃতি। অর্ধশত লোক জমেছে রমনার বটমূলে। আকাশে সূর্যের উদয় খুব বেশি আগে না হলেও তেতে উঠেছে প্রকৃতি। গাছের ছায়া আর শীতল বাতাস জ্যৈষ্ঠের প্রকৃতিতে এনেছে প্রশান্তির ছায়া। ঘড়ির কাঁটা নটার ঘর ছুঁতেই শুরু হলো সম....
তখন সকাল সাড়ে আটটা। গাছ আর ঘাসে ভরা সবুজ প্রকৃতি। অর্ধশত লোক জমেছে রমনার বটমূলে। আকাশে সূর্যের উদয় খুব বেশি আগে না হলেও তেতে উঠেছে প্রকৃতি। গাছের ছায়া আর শীতল বাতাস জ্যৈষ্ঠের প্রকৃতিতে এনেছে প্রশান্তির ছায়া। ঘড়ির কাঁটা নটার ঘর ছুঁতেই শুরু হলো সম্মিলিত পদযাত্রা। রাজধানীর রমনা পার্কে গাছ দেখাবেন এবং গাছ চেনাবেন উদ্ভিদবিদরা। সঙ্গে আছেন ফুল, পাখি, নিসর্গ বিশেষজ্ঞরাও। উত্তরা থেকে সকালেই মা ও বোনের সঙ্গে গাছচেনা কর্মসূচিতে এসেছে আরশাদ মাহবুব আয়মান। তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্র আয়মান বললো, প্রকৃতি আমার অনেক ভালো লাগে। কিন্তু সবসময় বাসার বাইরে এভাবে আসা হয় না। এখানে অনেক ধরনের গাছ দেখে খুব ভালো লাগছে। আয়মানের মতো আরো অনেক নবীন-প্রবীণ এসেছেন গাছ দেখতে। প্রবীণ ব্যক্তি সিরাজুল ইসলাম বললেন: গাছ দেখি কিন্তু এর উপকারিতা-অপকারিতা জানি না। তার ফুল-ফলের গুণাবলীও জানি না।
বইয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে যে গুজব রটেছে, তা অতিরঞ্জিত বটে, কিন্তু সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন নয়।
বই বলতে আমরা এত দিন বুঝেছি কাগজে মুদ্রিত ও পরিপাটিভাবে বাঁধাই এক নথি। এই কাগুজে বই দ্রুত বদলে যাচ্ছে, যেমন বদলে যাচ্ছে খবরের কাগজ। এখন থেকে বিশ বা পঁচিশ ব....
বইয়ের মৃত্যু হয়েছে বলে যে গুজব রটেছে, তা অতিরঞ্জিত বটে, কিন্তু সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন নয়।
বই বলতে আমরা এত দিন বুঝেছি কাগজে মুদ্রিত ও পরিপাটিভাবে বাঁধাই এক নথি। এই কাগুজে বই দ্রুত বদলে যাচ্ছে, যেমন বদলে যাচ্ছে খবরের কাগজ। এখন থেকে বিশ বা পঁচিশ বছর পর এমন লোক খুব বেশি থাকবেই না, যারা প্রতিদিন সকালে সদ্য ছাপাখানা থেকে মুদ্রিত হয়ে আসা সংবাদপত্র হাতে না পেলে দিন শুরু করতে পারবে না। মোটা বই হাতে অলস মধ্যাহ্নে আরামকেদারায় বুঁদ হয়ে থাকবেন, এমন লোকের সংখ্যাও প্রায় নিশ্চিহ্ন হবে।
তার মানে এই নয়, বই থাকবে না, অথবা সংবাদপত্রের মৃত্যু হবে। অবশ্যই থাকবে
সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আর বিবিধ চিন্তার সম্মিলনে তৈরি হয় নতুন সৃষ্টির সম্ভাবনা। ভিন্ন সংস্কৃতির অভিমুখগুলোর নিবিড় পর্যবেক্ষণে জারিত হওয়ার এমনই এক সুযোগ তৈরি হয়েছে ঢাকায়। কলকাতার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রদর্শনী ‘চেঞ্জিং ইমেজেস’ স....
সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্য আর বিবিধ চিন্তার সম্মিলনে তৈরি হয় নতুন সৃষ্টির সম্ভাবনা। ভিন্ন সংস্কৃতির অভিমুখগুলোর নিবিড় পর্যবেক্ষণে জারিত হওয়ার এমনই এক সুযোগ তৈরি হয়েছে ঢাকায়। কলকাতার রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের প্রদর্শনী ‘চেঞ্জিং ইমেজেস’ সম্প্রতি শুরু হয়েছে ধানমন্ডির ঢাকা আর্ট সেন্টারে। এতে অংশ নিয়েছেন ১৬ জন ভারতীয় শিল্পী। বাংলাদেশের সঙ্গে সংস্কৃতি বিনিময় কর্মসূচির অংশ হিসেবে এ প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে ঢাকা আর্ট সেন্টার।
একটি পাণ্ডুলিপি পড়া হবে। দেয়াল শিরোনামের পাণ্ডুলিপিটি আমার হাতে এসেছে এর দিন সাতেক আগে। সে সম্পর্কে পরে আরও একটু বলব। বৈঠকে উপস্থিত বড়রা, অর্থাৎ ভাবিরা এবং আমরা ভাইবোনেরা—আমাদের মন চলে গেছে এখন থেকে প্রায় ৩৯ বছর আগের একটি দিনে। নারায়ণগঞ্জের শীতল....
একটি পাণ্ডুলিপি পড়া হবে। দেয়াল শিরোনামের পাণ্ডুলিপিটি আমার হাতে এসেছে এর দিন সাতেক আগে। সে সম্পর্কে পরে আরও একটু বলব। বৈঠকে উপস্থিত বড়রা, অর্থাৎ ভাবিরা এবং আমরা ভাইবোনেরা—আমাদের মন চলে গেছে এখন থেকে প্রায় ৩৯ বছর আগের একটি দিনে। নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীর কোল ঘেঁষে একটি বাংলোর নাশতার টেবিলে। আমরা একটি উপন্যাস পড়ছি। আজকের বৈঠকের বড়রা সবাই ছিলেন সেই টেবিলের চারপাশে। আজ কয়েকজন নেই। কর্নেল তাহের, আবু ইউসুফ আর বাহার। আমার তিন ভ্রাতা। বড় অসময়ে আমরা তাঁদের হারিয়ে ফেলেছি। সেদিন হুমায়ূন আহমেদের নন্দিত নরকে উপন্যাসটি আমরা এক বসায় শেষ করেছিলাম। একটি সাহিত্য সাময়িকীতে প্রথম তা বেরিয়েছিল। কর্নেল তাহেরের প্রবল আগ্রহে সে উপন্যাসটি শোনা। যোগসূত্র অবশ্য আমি। সে নন্দিত উপন্যাসের প্রথম সংবাদটি আমি দিই পরিবারে।
কোকিলা। কোকিলা একজন প্রতিনিধি। সে বিশেষ এক গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করছিল, এখনো করছে, হয়তো আগাম ভবিষ্যতেও করবে। কিন্তু কোকিলাকে নিয়ে এতক্ষণে পাঠক মনে যে অজানার, অতৃপ্তির নীড় রচিত হয়েছে তার স্বরূপ বর্ণনায় আমি এবার তৎপর। কিন্তু প্রশ্ন, চিনবেন কি কোকিল....
কোকিলা। কোকিলা একজন প্রতিনিধি। সে বিশেষ এক গোষ্ঠীর প্রতিনিধিত্ব করছিল, এখনো করছে, হয়তো আগাম ভবিষ্যতেও করবে। কিন্তু কোকিলাকে নিয়ে এতক্ষণে পাঠক মনে যে অজানার, অতৃপ্তির নীড় রচিত হয়েছে তার স্বরূপ বর্ণনায় আমি এবার তৎপর। কিন্তু প্রশ্ন, চিনবেন কি কোকিলাকে বা কোকিলাকে আশপাশে কোথাও কি পাওয়া যাবে? কারণ সে তো কোনো ইতিহাসের শিকলে বাঁধা চরিত্র নয়, বরং সে-ই অনেক ইতিহাস বা পারতপক্ষে কলুষিত ইতিহাসের ধারক, বাহক সর্বোপরি জননীতুল্য। এই কোকিলা একটি মঞ্চসৃজনের সফল উপজীব্য, যা অন্তরে ও মস্তিষ্কে ধারণ করেছিলেন ওই মঞ্চপ্রয়াসের প্রাণদাতা আবদুল্লাহ আল মামুন। বাংলা নাটকের এই প্রয়াত ব্যক্তিত্বই আবার বাংলা নাটককে আজকের বাংলা নাটক হয়ে ওঠার পেছনের সে সংগ্রামের ইতিহাস তার প্রত্যক্ষ সাক্ষী, কখনো কখনো কিছু পরিচ্ছেদের জনকও বটে। এই অসামান্য মেধার চির আধুনিক রুচির মানুষটিই আলোচ্য মঞ্চপ্রয়াস 'কোকিলারা'র রচয়িতা ও নির্দেশক।
আলাউদ্দিন আল আজাদ [জন্ম: ৬ মে ১৯৩২; মৃত্যু: ৩ জুলাই ২০০৯] প্রগতিশীল লেখক। বামপন্থী চিন্তাধারা ও কর্মকা-ের সাথে তিনি নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। বামপন্থী রাজনৈতিক-সামাজিক আন্দোলনে এবং প্রগতিশীল সাহিত্য-আন্দোলনে আলাউদ্দিন আল আজাদের সাহসী ভূমিকা আজ অনেকে....
আলাউদ্দিন আল আজাদ [জন্ম: ৬ মে ১৯৩২; মৃত্যু: ৩ জুলাই ২০০৯] প্রগতিশীল লেখক। বামপন্থী চিন্তাধারা ও কর্মকা-ের সাথে তিনি নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত ছিলেন। বামপন্থী রাজনৈতিক-সামাজিক আন্দোলনে এবং প্রগতিশীল সাহিত্য-আন্দোলনে আলাউদ্দিন আল আজাদের সাহসী ভূমিকা আজ অনেকেই ভুলে গেছেন; কিন্তু পথে-মাঠে-ময়দানে ও শিল্পকর্মে আলাউদ্দিন আল আজাদ মার্ক্সসীয় ভাবধারাকে সমুন্নত রাখার জন্য ব্যাপক ভূমিকা পালন করেছেন। আলাউদ্দিন আল আজাদ তার প্রকৃত নাম নয়। আলাউদ্দিনের সাথে যুক্ত হয়েছে লেখক নাম 'আল আজাদ'। আর তাঁর ডাক নাম ছিল 'বাদশা'। তাঁর আদিনিবাস বৃহত্তর ঢাকার বর্তমানে নরসিংদী জেলার রায়পুরা থানার রামনগর গ্রামে। শৈশবে তিনি বাবা-মাকে হারান; আর এখান থেকেই শুরু হয় তার জীবনসংগ্রাম। গ্রামজীবনের কৃষিভিত্তিক নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতা ছিল তার সার্বক্ষণিক সঙ্গী
কবিতা কানে শোনার জিনিস। ছাপার অক্ষরে যা পাই তা শুধু মনে থাকার জন্য। কবিতা সৃষ্টি হয় ধ্বনিসংগীত নিয়ে। অধিকাংশ কবি ধ্বনিসংগীত অনুভব করলেও নিজ উচ্চারণে তা অভিব্যক্ত করতে পারেন না; পারা উচিত। আমি কল্পনা করি, মাইকেল মধূসূদনের যে অমিত্রাক্ষর বা ব্যঞ্জনবর....
কবিতা কানে শোনার জিনিস। ছাপার অক্ষরে যা পাই তা শুধু মনে থাকার জন্য। কবিতা সৃষ্টি হয় ধ্বনিসংগীত নিয়ে। অধিকাংশ কবি ধ্বনিসংগীত অনুভব করলেও নিজ উচ্চারণে তা অভিব্যক্ত করতে পারেন না; পারা উচিত। আমি কল্পনা করি, মাইকেল মধূসূদনের যে অমিত্রাক্ষর বা ব্যঞ্জনবর্ণের ধ্বনিসংঘাত এটা ওনি উচ্চারণ ব্যতীত আয়ত্ত করেননি। এই ধ্বনিব্যঞ্জনটি হচ্ছে কবিতার ঘোড়া। এর পিঠে প্রত্যেক কবিকে চড়তে হয়। পক্ষীরাজ ঘোড়ার মতো তা অনুভবের আকাশে উড়াল দেয়। আমি কবিতা-পাঠের সন্ধ্যার কথা অনেকদিন ধরে বলে আসছি। আশির দশকে ‘পদাবলী’ সংগঠনের মাধ্যমে ‘দর্শনীর বিনিময়ে কবিতাপাঠ’-এর আয়োজন করলে অনেক কবিই টানা দশ-পনেরো মিনিট ধরে বিপুল শ্রোতা-সমাবেশে নিজের কবিতা পাঠের সুযোগ পান।
ঘুম থেকে ওঠে মইন আহমেদ ভেবেছিল আজ তার দিনটা ভালো যেতে পারে। বেশ কিছুদিন থেকে তার দিন ভালো যাচ্ছে না। রোজা আসতে বাকি এখনো এক মাসের বেশি অথচ দ্রব্য মূল্য এখনই হুহু করে বেড়ে যাচ্ছে। বাজার তদারকিতে কোনো কর্তৃপক্ষ আছে এমনটা কারো মনে হচ্ছে না, মইনের ও না।....
ঘুম থেকে ওঠে মইন আহমেদ ভেবেছিল আজ তার দিনটা ভালো যেতে পারে। বেশ কিছুদিন থেকে তার দিন ভালো যাচ্ছে না। রোজা আসতে বাকি এখনো এক মাসের বেশি অথচ দ্রব্য মূল্য এখনই হুহু করে বেড়ে যাচ্ছে। বাজার তদারকিতে কোনো কর্তৃপক্ষ আছে এমনটা কারো মনে হচ্ছে না, মইনের ও না। মইন বিস্ময় ভরা দৃষ্টিতে লক্ষ্য করেছে, সে হিসাব মিলাতে না পারলেও আশপাশের অনেকেই কেনাকাটায় হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। এত টাকা এরা কোথায় পায়? মইন ভেবে পায় না। সকালে ঘুম থেকে ওঠে বাইরের বাগানে এসেই দেখেছিল প্রায় মরে যাওয়া দুটো গোলাপ গাছেই চমৎকার কয়েকটি গোলাপ ফুটেছে। দুটোর ফেস ছিল ঠিক তার দিকে। মইনের মনে হয়েছিল গোলাপ দুটো তার দিকে চেয়ে হাসছে ! অনেকগুলো পেয়ারা গাছে পেয়ারা ধরেছে। একটা পেয়ারা ও খাওয়ার উপযোগী নয়, পোকায় ভরা। হরেক রকমের পাখি সে পেয়ারাগুলো খাচ্ছিল। বেশ কয়টা পাখি দেখে তার চোখ জুড়িয়ে যায়। এমন পাখির সমাহার প্রায়ই সে দেখে আসছে, আজকের দেখাটা তার কাছে ব্যতিক্রম মনে হয়েছিল। কিন্তু দিন ভালো যায়নি
আমরা ছিলাম পুরান ঢাকার বাসিন্দা। নুি মধ্যবিত্ত পরিবারে আমি বেড়ে উঠেছি। আমাদের পরিবার ঠিক নিম্নধ্যবিত্ত ছিল না, আবার ঠিক নিম্নবিত্তও না—নিম্ন আর নিম্নমধ্যবিত্তের মাঝামাঝি কিছু একটা ছিলাম আমরা। জিন্দাবাহারের যে গলির শেষ প্রান্তে আমরা থাকতাম, তার পাশের....
আমরা ছিলাম পুরান ঢাকার বাসিন্দা। নুি মধ্যবিত্ত পরিবারে আমি বেড়ে উঠেছি। আমাদের পরিবার ঠিক নিম্নধ্যবিত্ত ছিল না, আবার ঠিক নিম্নবিত্তও না—নিম্ন আর নিম্নমধ্যবিত্তের মাঝামাঝি কিছু একটা ছিলাম আমরা। জিন্দাবাহারের যে গলির শেষ প্রান্তে আমরা থাকতাম, তার পাশের বাড়িতে এক দর্জি ভদ্রলোক থাকতেন। তাদের একটাই মেয়ে ছিল, শাহিদা আপা। আমার প্রথম কবিতার বই ‘ছুরিচিকিত্সা’ যে দুজনকে উত্সর্গ করেছি, তিনি তাদের একজন। শাহিদা আপা কবিতা লিখতেন। কেউ একজন যে শব্দের সঙ্গে শব্দ মিলিয়ে কিছু একটা লিখে ফেলতে পারে, সেটা আমাকে তখন খুব আকৃষ্ট করেছিল
গণতন্ত্রের রূপ, বাংলাদেশের, অদ্ভুত। এটা একদিনে গড়ে ওঠেনি। দিনের পর দিন, বছরের পর বছর ধরে এটা হয়েছে। এটার মূলে রয়েছে দলীয় রাজনীতি। আওয়ামী লীগ আওয়ামী লীগের গণতন্ত্র অনুযায়ী চলেছে। বিএনপি বিএনপির গণতন্ত্রের মতো চলেছে। এরশাদ তো একাই 'বাদশাহ'। কখনো....
গণতন্ত্রের রূপ, বাংলাদেশের, অদ্ভুত। এটা একদিনে গড়ে ওঠেনি। দিনের পর দিন, বছরের পর বছর ধরে এটা হয়েছে। এটার মূলে রয়েছে দলীয় রাজনীতি। আওয়ামী লীগ আওয়ামী লীগের গণতন্ত্র অনুযায়ী চলেছে। বিএনপি বিএনপির গণতন্ত্রের মতো চলেছে। এরশাদ তো একাই 'বাদশাহ'। কখনো বলেন, তিনি প্রেসিডেন্ট হবেন, কখনো প্রধানমন্ত্রী। তাকে পুষছে শেখ হাসিনা। নিজের দলে ভিড়িয়ে রাখতে। যে গণতন্ত্রকে হত্যা করেছে তাকে জিঁইয়ে রাখা যে কী পাপ তা সবাই বুঝলেও শেখ হাসিনা বুঝেন না। তার উদ্দেশ্য জাতীয় পার্টিকে দলে রেখে তার দলকে শক্তিশালী করা। এ উদ্দেশ্য সফল হয়েছে। তাদের দু'জনের আন্ডারস্ট্যান্ডিং ভালো। তাই জোটের বিরুদ্ধে গেলেও এরশাদ পদত্যাগ করেন না। শেখ হাসিনা তাকে বাদ দিতেও পারেন না। দু'জনেই দু'জনকে প্রয়োজনীয় বস্তু হিসেবে বিবেচনা করে থাকে। এই অদ্ভুত বোঝাপড়া কেবল যে রাজনীতির জন্য তা নয়, তা চূড়ান্ত খেলার জন্য। অর্থাৎ ভোটের মাধ্যমে বিজয় ছিনিয়ে নেয়া। ইতোমধ্যে যুগান্তরের জরিপ আওয়ামী লীগের গোমর ফাঁস করে দিয়েছে। তাতে শেখ হাসিনার নির্দয় পরাজয়ের চিহ্ন উল্লেখ করা হয়েছে।
বাংলা কথাসাহিত্যে শক্তিমান লেখক অনেক আছেন, কিন্তু শরত্চন্দ্রের ব্যাপারটা একেবারেই ভিন্নরকম। তাঁর বিস্ময়কর জনপ্রিয়তার কারণ কি? আমার মনে হয়েছে, সম্ভবত শরত্চন্দ্রই প্রথম লেখক যিনি বাঙালির আবেগ-আকাঙ্ক্ষার স্থানগুলো সূক্ষ্মভাবে চিহ্নিত করে সেগুলোকে নিপ....
বাংলা কথাসাহিত্যে শক্তিমান লেখক অনেক আছেন, কিন্তু শরত্চন্দ্রের ব্যাপারটা একেবারেই ভিন্নরকম। তাঁর বিস্ময়কর জনপ্রিয়তার কারণ কি? আমার মনে হয়েছে, সম্ভবত শরত্চন্দ্রই প্রথম লেখক যিনি বাঙালির আবেগ-আকাঙ্ক্ষার স্থানগুলো সূক্ষ্মভাবে চিহ্নিত করে সেগুলোকে নিপুণ দক্ষতায় ব্যবহার করতে পেরেছিলেন। একটু ব্যাখ্যা করি। একজন মানুষের যেমন কিছু স্পর্শকাতর বিন্দু থাকে, সেসব বিন্দুতে আঘাত পেলে এমনকি স্পর্শ পেলেও সে আবেগপ্রবণ হয়ে পড়ে, রেগে যায়, স্মৃতিকাতর হয়, উচ্ছ্বসিত হয়, বা চোখ ভিজে ওঠে; একটি জাতিরও তেমন কিছু স্পর্শকাতর-আবেগবিন্দু থাকে। সেই আবেগবিন্দুগুলোকে চিনে নেওয়া অত্যন্ত দুরূহ বিষয়।
PhilDev trustee Winston Damarillo said everyone needs to participate—industry players, academe and government—to address all these concerns, considering that the Philippines is among the Next 11 emerging markets.
“We need everyone’s involvemen....
PhilDev trustee Winston Damarillo said everyone needs to participate—industry players, academe and government—to address all these concerns, considering that the Philippines is among the Next 11 emerging markets.
“We need everyone’s involvement so we can turn the brilliant ideas of our people into money-earning products and services, which could further economic growth,” said Damarillo, also the founder Developers Connect (DevCon) Philippines and software companies Morphlabs and Exist.
The next 11 markets are Bangladesh, Egypt, Indonesia, Iran, Mexico, Nigeria, Pakistan, South Korea, the Philippines, Turkey and Vietnam.
Water could be the focal point of South Asia's next great conflict, writes Ben Doherty.
South Asia lives on its rivers. Its three great basins - the Indus, the Ganges and the Brahmaputra - are the most densely-populated in the world. The Gange....
Water could be the focal point of South Asia's next great conflict, writes Ben Doherty.
South Asia lives on its rivers. Its three great basins - the Indus, the Ganges and the Brahmaputra - are the most densely-populated in the world. The Ganges alone supports half a billion people.
Seventy per cent of South Asia's 1.5 billion people live in farming families, and depend on the water of those basins for their survival. That number grows by 25 million every year.
The stop in Bangladesh was "personal," Clinton said, coming 17 years after she and daughter Chelsea first visited in 1995. Her female counterpart, Foreign Minister Dipu Moni, put it this way: "Hillary Clinton has been something of a household name in....
The stop in Bangladesh was "personal," Clinton said, coming 17 years after she and daughter Chelsea first visited in 1995. Her female counterpart, Foreign Minister Dipu Moni, put it this way: "Hillary Clinton has been something of a household name in Bangladesh."
That was obvious from the throngs of people standing four to five rows deep along Dhaka's dusty riverbanks and railroad beds. A sign along the motorcade route read, "Heartiest congratulation to our beloved U.S. foreign minister Hillary Clinton."
At least 10 people were injured, including a firefighter who sustained burns, and more than 150 shanties were burned down as a blaze swept through a Dhaka slum, Reuters reports. The local fire department said the cause of the blaze had yet to be asce....
At least 10 people were injured, including a firefighter who sustained burns, and more than 150 shanties were burned down as a blaze swept through a Dhaka slum, Reuters reports. The local fire department said the cause of the blaze had yet to be ascertained
Bangladesh’s first-ever metro rail project has been launched officially with the government inviting expression of interest (EOI) to appoint consultants for carrying out necessary works to ease the traffic gridlock in the city.
Officials said ....
Bangladesh’s first-ever metro rail project has been launched officially with the government inviting expression of interest (EOI) to appoint consultants for carrying out necessary works to ease the traffic gridlock in the city.
Officials said yesterday, the consultants of the metro rail project, also known as the Mass Rapid Transit line-6 (MRT-6), would be responsible for detailed design of over 20km high capacity passenger rail-line from Uttara to Motijheel in the capital.
Work for upgrading Bangladesh's main airport - Shahjalal International Airport - will start in a couple of months with Danish funds, but it will leave out some vital parts of the original project due to fund shortage.
Now the airport's....
Work for upgrading Bangladesh's main airport - Shahjalal International Airport - will start in a couple of months with Danish funds, but it will leave out some vital parts of the original project due to fund shortage.
Now the airport's taxiway and its lighting will be rehabilitated at a cost of 311 million Danish krone (US$53.04 million) at current exchange rate), to be provided by Danish International Development Agency (Danida) as grant.
Malaysia is among six countries – the others being Germany, Japan, Iran, Bangladesh and Serbia – affected by the streamlining and modernizing of immigration and citizenship operations as well as cost cutting.
Malaysia is among six countries – the others being Germany, Japan, Iran, Bangladesh and Serbia – affected by the streamlining and modernizing of immigration and citizenship operations as well as cost cutting.
Australian exploration and production company Santos has initiated talks to potentially acquire UK-based Tullow Oil's assets in Bangladesh, a company source said Wednesday.
Australian exploration and production company Santos has initiated talks to potentially acquire UK-based Tullow Oil's assets in Bangladesh, a company source said Wednesday.
The government of Bangladesh has launched an investigation into 54 businesses linked to the microlending Grameen Bank founded by Nobel laureate Muhammad Yunus. U.S. Secretary of State Hillary Clinton had urged Bangladesh's government not to undermine....
The government of Bangladesh has launched an investigation into 54 businesses linked to the microlending Grameen Bank founded by Nobel laureate Muhammad Yunus. U.S. Secretary of State Hillary Clinton had urged Bangladesh's government not to undermine the effectiveness of the bank, but the country's Finance Minister A.M.A. Muhith dismissed her remarks as unwarranted.
Police used batons to disperse stone-throwing opposition supporters outside a court in Bangladesh's capital Wednesday after a judge denied bail to 33 senior opposition members charged with involvement in an arson attack during an anti-government stri....
Police used batons to disperse stone-throwing opposition supporters outside a court in Bangladesh's capital Wednesday after a judge denied bail to 33 senior opposition members charged with involvement in an arson attack during an anti-government strike last month, witnesses said.